শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে জুলাই রেভল্যুশন ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ। এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো স্পন্সর করছে বিখ্যাত মোটরবাইক ব্র্যান্ড সুজুকি। আর প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেই নিজেদের আকর্ষণীয় সুজুকি মোটরসাইকেল পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন র্যানকন গ্রুপের গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোমো রউফ চৌধুরী। আজ প্রতিযোগিতার সমাপনী দিন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাব। প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা প্রতিষ্ঠান সুজুকি মোটরবাইক বাংলাদেশে বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান র্যানকন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোমো রউফ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মোটরসাইকেলের যে ব্যবসা করি সেটা তরুণদের জন্য। ফেন্সিংও তেমনি তরুণদের খেলা। আমি মনে করি ফেন্সিং ও মোটরসাইকেল হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাবে। এখানে একটি কথা বলতে চাই। আপনারা অনুমতি দিলে পরের প্রতিযোগিতায় স্পন্সর করব মোটরসাইকেল। ওই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেই তাকে দেওয়া হবে সুজুকি বাইক।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব আহমেদ। তিনি ফেন্সিংয়ে আরো বরাদ্দ বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, ‘আসন্ন এসএ গেমসে আশা করি ভালো করবে ফেন্সাররা। সম্প্রতি ফেন্সিং ফেডারেশন বলেছিল তাদের সহায়তা করতে। সেই প্রেক্ষিতে বলছি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে যে নিয়মিত বরাদ্দ আছে তার বাইরেও আরো ৫ লাখ টাকা অনুদান দেব। এটা শুধু এখনই না। এই ধরনের অনুদান অব্যাহত রাখব। তবে এই অনুদানের বিনিময়ে ফেন্সারদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক আনতে হবে।’
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিন ফেন্সিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে ফেন্সিংয়ের কোচ পাওয়া খুব কঠিন। আমরা সিনিয়র ও জুনিয়র কোচ পেয়েছি। কিন্তু তাদের বেতন ব্যয়বহুল। ৪-৫ হাজার ডলার মাসিক বেতন দিতে হয়। গতবার যেভাবেই হোক একজন পেয়েছিলাম। এবার তাদের পারিশ্রমিক বেড়ে গেছে। আমি ক্রীড়া সচিবকে অনুরোধ করব তিনি যেন আমাদের অন্তত কোনো কিছু না হলেও কোচের বেতন যদি স্পন্সর করেন তাহলে অবশ্যই সামনের দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে আমরা ঘুরে দাঁড়াব এবং গতবারের চেয়ে আমরা এবার আরো ভালো ফল বয়ে আনব।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

