সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভালো শুরু করেও মাঝারি সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। মান বাঁচানোর ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে পারভেজ হোসেন ইমনের ফিফটিতে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে লাল-সবুজের সারথীরা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে চার দিয়ে শুরু করেন তানজিদ হাসান। সাইম আইয়ুবের বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে চার মেরেছেন তানজিদ। অবশ্য চতুর্ঘ ওভারেই ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেছেন তানজিদ। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৩/০!
দুই প্রান্ত থেকেই ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ ও পারভেজ হোসেন ইমন। তাতে অষ্টম ওভারেই ফিফটি তুলে নেন ইমন। আবরাব আহমেদের ওভারে একটি চার ও দুটি ছক্কা মেরেছেন নিজের মুখোমুখি হওয়া ২৭তম বলে পৌঁছালেন পঞ্চাশে।
ব্যাটিং ঝড় বজায় রেখে উদ্বোধনী জুটিতেই একশ পার করে বাংলাদেশ। ১১তম ওভারে ১০০ পেরিয়ে গেল বাংলাদেশ।নিজেদের টি–টোয়েন্টি ইতিহাসে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো উদ্বোধনী জুটিতে শতরান পেল বাংলাদেশ।
তানজিদ আউট হন ১১তম ওভারেই। ফাহিম আশরাফের বলে র্যাম্প শট খেলতে গিয়ে উইকেট দেন তানজিদ (৩২ বলে ৪২)। ১১০ রানের মাথায় ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
খানিকবাদে আউট হয়ে ফিরে যান পারভেজও। ৩৪ বলে ৬৬ রান করেন এই ওপেনার। শাদাব খানের করা অফ স্টাম্পের বাইরের বলটা স্লগ করতে চেয়েছিলেন পারভেজ। কিন্তু ব্যাটের কিনারে লেগে ক্যাচ উঠে যায়। উইকেটকিপার মোহাম্মদ হারিস বলটাকে গ্লাভসবন্দী করতে ভুল করেননি।
এরপর লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় এগিয়ে নেন দলকে। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে এখন পর্যন্ত ২০ বলে এসেছে ৩৫ রান। তাতে ১৫ ওভারেই বাংলাদেশ ১৫০ ছুঁয়ে ফেলে।
লিটন ছিলেন আগ্রাসী। সেটা ধরে রাখতে গিয়েই ফিরতে হয় তাকে। হাসান আলীর বলে তিন স্টাম্প ছেড়ে র্যাম্প শট খেলতে গিয়ে হলেন বোল্ড। ১৮ বলে ২২ রানে থামলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর দ্রুত ফিরে যান শামীম হোসেন ও হৃদয় (২৫)। শেষদিকে শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল। তাতে আর দুইশ ছোঁয়া হয়নি বাংলাদেশের।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

