বিসিবির ১৯তম বোর্ড সভা শেষে সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলে হান্নান সরকারের জায়গায় নতুন নির্বাচক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া নারী দলের জন্য সাবেক নারী ক্রিকেটারকে নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব ছাড়া হান্নান সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে থাকা এহসানুল হক সেজান। লম্বা সময় ধরে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। অন্যদিকে নারী দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সালমা খাতুন।
জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলে তৃতীয় সদস্য হিসেবে আলোচনায় আছে তিন নাম। এহসানুল হক সেজানের পাশাপাশি জাতীয় দলের সাবেক নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ শিপন ও বয়সভিত্তিক দলের আরেক নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্তর নাম বেশ জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। তবে এই তিনজনের মধ্যে নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে সেজানের নাম। বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির এক পরিচালক।
এ নিয়ে সেজান আমার দেশকে বলেন, ‘এখনো বিসিবি নির্বাচক হওয়ার ব্যাপারে যোগাযোগ করেনি। তবে বয়সভিত্তিক দলে যেহেতু লম্বা সময় ধরে কাজ করছি, তাই এই দায়িত্ব পেলে কাজ করতে সমস্যা নেই। আর এভাবে জাতীয় দলের নির্বাচক হলে বয়সভিত্তিক দলের সঙ্গে কাজ করা অন্য নির্বাচকরা বেশ অনুপ্রাণিত হবে কাজ করতে।’
অন্যদিকে নারী দলের নির্বাচক হিসেবে আলোচনায় থাকা সালমা খাতুন এখনো ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে বিদায় জানাননি। তবে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এই নারী ক্রিকেটার। আমার দেশকে তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি নির্বাচক হওয়ার ব্যাপারে। তবে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। যদি তেমন কিছু হয়, তবে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করে অবসর নেব।’
নির্বাচক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ পাচ্ছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তার ভাষ্য ছিল, ‘বিসিবিতে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। সব সময়ই ক্রিকেটের সঙ্গে থাকতে চাই আমি।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

