খেলা চলাকালে ফ্লাডলাইটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগা হয়ে উঠেছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। গত এক-দেড় বছরে বেশ কয়েকবার এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। পাশাপাশি মিরপুরের ফ্লাডলাইটের আলোর মাত্রা নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে আছে বেশ ক্ষোভ। ফলে ক্রিকেটারদের দাবি ছিল, ফ্লাডলাইট যেন পরিবর্তন করা হয়। তবে আপাতত সেই পথে হাঁটার সুযোগ নেই বিসিবির সামনে। মূলত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ ঘনিয়ে আসায় তেমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বিসিবি। তবে ফ্লাডলাইটের সমস্যার কথা ইতোমধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে (এনএসসি) জানিয়েছে বিসিবি। এরই অংশ হিসেবে ফ্লাডলাইটের সংস্কার কাজ শুরু করেছে এনএসসি।
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে মিরপুরের ফ্লাডলাইট সমস্যা নিয়ে বিসিবির সঙ্গে বৈঠক শেষে কাজ শুরু করেছে এনএসসি। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে ফ্লাডলাইট সংস্কার করা হবে। বৈদ্যুতিক সংযোগ সমস্যা ও দীর্ঘদিন ফ্লাডলাইটের কোনো সংস্কার না হওয়ায় এ ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পুরোপুরি সংস্কারের অংশ হিসেবে ফ্লাডলাইটের বৈদ্যুতিক সংযোগ পুরোপুরি পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে থাকা প্রতিটি ফ্লাডলাইটের বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করা হবে। এরপরে হবে আলোর মাত্রার পরীক্ষা। সাধারণত ক্রিকেট মাঠে একটি ম্যাচ চলাকালে ১১ থেকে ১৪ মিলিয়ন লুমেনস মাত্রার আলোর প্রয়োজন হয়।
বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষার পর আলোর মাত্রা পরীক্ষা করা হবে। আলোর মাত্রা ১১ মিলিয়ন লুমেনসের কম হলে ফ্লাডলাইটে থাকা এলইডি লাইট পরিবর্তনের উদ্যোগ নেবে এনএসসি। ফ্লাডলাইটে ঠিক কতটি এলইডি বাল্ব পরিবর্তন করা হবে সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে বিসিবির পক্ষ থেকে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

