ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে চেলসির কাছে ১-০ গোলে হেরেছে টটেনহাম হটস্পার। এই হারের পর ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিকে (ভিএআর) কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন টটেনহামের প্রধান কোন আঞ্জে পোস্তেকোগলু। অন্যদিকে ম্যাচের শেষদিকে আক্রমণভাগের দুই খেলোয়াড় তুলে নেওয়াকে ভুল বলে স্বীকার করেছেন চেলসির কোচ এনজো মারেস্কা।
আগের তিন ম্যাচের মধ্যে একটিতেও জিততে পারেনি টটেনহাম। ব্যর্থতার ধারা থেকে বের হয়ে আসতে চেলসির বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না তাদের জন্য। যদিও এবারও ব্যর্থতার ধারা থেকে বের হয়ে আসা হলো না লন্ডনের প্রতিনিধিদের।
স্ট্যাম্পফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের ৫০ মিনিটে চেলসির হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন আর্জেন্টাইন তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। এ জয়ে পয়েন্ট তালিকার চারে উঠে গেছে চেলসি। ১৯ মিনিট পর পাপে মাতার সারের কল্যাণে সমতায় ফিরেছিল টটেনহাম। কিন্তু ভিএআর দেখে গোল বাতিল করেন ফিল্ড রেফারি ক্রেগ পসন। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, গোল করার আগে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ফাউল করেন সার। যদিও গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না টটেনহাম কোচ।
পোস্তেকোগলু বলেন, ‘ভিএআর সিস্টেম ফুটবলের ক্ষতি করছে। অথচ এটা নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নেই। সবাই আসলে সমালোচনা, বিতর্ক পছন্দ করে। এই ইস্যুতে এক দিন আলোচনা-সমালোচনা হবে। সবাই এটাই দেখতে চায়। ভিএআর ফুটবলের সৌন্দর্য নষ্ট করে দিচ্ছে।’
ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার পর ফার্নান্দেজ ও কোল পালমারকে তুলে নেন মারেস্কা। গোল যেন হজম না করতে হয় সেই লক্ষ্যে বদলি হিসেবে মাঠে নামান দুই ডিফেন্ডারকে। যদিও কোচের এই সিদ্ধান্তে চাপে পড়ে যায় চেলসি। ওপরে খেলায়াড় না থাকায় যোগ করা ১২ মিনিটজুড়ে স্বাগতিক ডি বক্সে আক্রমণ শানায় টটেনহাম। অবশ্য অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ফেরা হয়নি তাদের।
ম্যাচ শেষে মারেস্কা বলেন, ‘এটা আমার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। অতিরিক্ত সময় কতক্ষণ দেওয়া হয় সেটা না দেখেই আমি বদল করে ফেলেছিলাম। পরে দেখলাম ১২ মিনিট দেওয়া হয়েছে। তখন আমার মনে হয়েছে একটু বেশি আগেই পরিবর্তন করেছি। যদিও পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

