২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে ইতালির সামনে সমীকরণ ছিল নরওয়েকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। অথচ মাঠের খেলায় দেখা গেল ঠিক উল্টো। বড় ব্যবধান তো দূরের কথা, ১ গোলের বেশি দিতে পারেনি, হজম করেছে ৪টি। ৪-১ গোলের পরাজয়ে টানা তৃতীয়বার প্লে-অফে খেলতে হবে আজ্জুরিদের।
ঘরের মাঠ মিলানে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন আর্লিং হালান্ড, দুটি গোল আসে আন্তোনিও নুসা ও জার্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেনের পা থেকে। ইতালির হয়ে একমাত্র গোল্টি করেন পিও এসপোসিতো।
৮ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হওয়ায় প্লে-অফ খেলতে হবে ১৯৩০, ১৯৩৪, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। ১২ গ্রুপ থেকে রানার্স-আপ ১২ দলের সঙ্গে উয়েফা নেশনস লিগের ৪ দল মিলিয়ে ১৬ দল নিয়ে হবে প্লে-অফ। ১৬ দল চার গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। চার গ্রুপের সেরা চার দল পাবে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ।
এদিকে, ১৯৯৮ আসরের পর আগামী বছর আবার বিশ্বকাপে খেলবে নরওয়ে। আট ম্যাচের সবগুলো জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে বাছাই শেষ করল তারা। তাদেরকে বিশ্বকাপে তোলার নায়ক হালান্ড।
ইতালির বিপক্ষে জোড়া গোলের মধ্যে দিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করলেন হালান্ড।।আট ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করা হালান্ডের গোল ১৬টি। ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ১৬ গোল করেছিলেন পোল্যান্ডের রবার্ট লেভানডোভস্কিও।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

