টস পর্বে হেসেছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু পাওয়ার প্লে’র বাকিটা সময় বাংলাদেশের ইনিংস হাসল হা হা ভঙ্গির অট্টহাসিতে। আরেকটু সুনির্দিষ্ট করে বললে বলা যায় হাসল লিটন দাসের ব্যাট। শুরুর তিন ওভারেই বাংলাদেশের স্কোর পৌছে যায় ১ উইকেট হারিয়ে ৩৯ রানে। ওপেনার সাঈফ হাসান ৮ বলে ১২ রানে ফিরে আসার পর অধিনায়ক লিটন দাস ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন। ৪ ওভারের মধ্যেই বাংলাদেশের স্কোর পৌছে গেল হাফসেঞ্চুরির আনন্দে।
৪.১ ওভারে ১ উইকেটে ৬০ রান তোলার পর সিলেটে বৃষ্টি নামে। আম্পায়াররা খেলা স্থগিত করেন। কাভার এনে পিচ ঢেকে দেওয়া হয়। লিটনের ব্যাটে তখন যেন রান তোলার ক্ষিদে চনমনে করছে যেন! ১৬ বলে ২ ছক্কা ও ৫ বাউন্ডারিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক খেলছিলেন ৪২ রানে। তার সঙ্গে ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তাওহীদ হৃদয়।
এই সিরিজে দারুণ ফর্মে রয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। আগের দুই ম্যাচেও করেছেন অপরাজিত ৫৪ ও ১৮। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম দুটিতে জিতে ট্রফি আগেভাগেই জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডস কেমন লড়াই করে সেটাই মুলত দেখার বিষয়।
তবে লিটনের ব্যাট যে নেদারল্যান্ডসের বোলিং দারুণ পছন্দ করেছে তাকে কোনো সন্দেহ নেই। অবশ্য সিরিজের শেষ ম্যাচে ভাগ্যও কিছুটা তাকে সহায়তা করছে। ৪০ এর ঘরে থাকা লিটনের ক্যাচ ফেলে দিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডসের ফিল্ডার সারিজ। শুধু ব্যাটিং- বোলিংই নয়, ফিল্ডিংও নেদারল্যান্ডসের খুব একটা সুখকর হচ্ছে না এই সিরিজে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

