চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

জয়টা সত্যিই স্পেশাল : জশ ইংলিস

জয়টা সত্যিই স্পেশাল : জশ ইংলিস

জশ ইংলিসের বেড়ে ওঠা ইয়র্কশায়ারের লিডসে। ইংল্যান্ডের এ শহরেই কাটিয়েছেন জীবনের প্রথম ১৪ বছর। ইয়র্কশায়ার যুবদলের জার্সিতে খেলেন কাউন্টি ক্রিকেটেও। নিজেদের এই ছেলের কাছেই গত শনিবার ধরাশায়ী হয়েছে ইংল্যান্ড। তার হার না মানা ১২০ রানের দুরন্ত ইনিংসের ওপর ভর করে ৩৫২ রানের রেকর্ড লক্ষ্য পেরিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া (৩৫৬)। ইংলিসের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দিনে হেরে গেছে তার জন্মভূমি। এতে মনে বিন্দুমাত্র দুঃখ বা কষ্ট নেই ইংলিসের। বরং বলছেন উল্টোটা- জয়টা তার কাছে দারুণ স্পেশাল।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ইংলিস বেশ আনন্দিত। তার কণ্ঠেই মিলল সেই আভাস, ‘আমি মনে করি এটি সত্যিই বিশেষ। এটি কার বিপক্ষে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি আগেও বলেছি, এটি খুবই ছোট টুর্নামেন্ট। প্রথম ম্যাচ থেকেই পুরোপুরি মনোযোগী থাকতে হয়। তাই, সম্ভবত সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো প্রথম ম্যাচেই জয় পাওয়া।’

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ড হারায় কোনো আক্ষেপ নেই ইংলিসের। কারণটা ব্যাখ্যা করে বলেন, একটা সময় ইংল্যান্ডের ভক্ত থাকলেও এখন আর নেই, ‘সেই দিনগুলো অনেক আগেই শেষ। তবে আমি এখনো ফুটবলে (ম্যানচেস্টার) সিটিকে সমর্থন করি। আমি এরই মধ্যে ইংল্যান্ড থেকে কয়েকটি বার্তা পেয়েছি, যা বেশ ভালো লেগেছে।’

লাহোরের মতো ব্যাটিং স্বর্গ উইকেটে ৩৫২ রান তাড়া করে জেতা বেশ কঠিন। আইসিসির ফ্ল্যাগশিপ টুর্নামেন্টে আগে কখনো এত রান তাড়া করে জিততে পারেনি কোনো দল। নতুন কীর্তি গড়াতে শিশির খানিকটা সাহায্য করেছে অজিদের। এ নিয়ে ইংলিস বলেন, ‘আমি মনে করি, ৩৫০ রান যে কোনো ওয়ানডে ম্যাচে বড় লক্ষ্য। আমরা এখানে রাতে অনুশীলন করেছি, তাই জানতাম ৭-৮টার দিকে অনেক শিশির পড়বে। রান তাড়ায় এটা আমাদের সহায়তা করবে সেটাও জানতাম। তাই আমরা যদি ম্যাচটি শেষের দিকে নিতে পারি, তাহলে বোলারদের (ইংল্যান্ডের) জন্য ডেথ ওভারে বোলিং করা কঠিন হবে। শিশির পড়ার কারণে বল উইকেট স্কিড করছিল, যা আমাদের রান তাড়ায় সাহায্য করেছে।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন