ক্রলি-ডাকেট জুটিতে পরিসংখ্যানের পাতায় ঝড়

ক্রলি-ডাকেট জুটিতে পরিসংখ্যানের পাতায় ঝড়

৭২২৪
ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টে জো রুটের রান হলো ৭ হাজার ২২৪। যা টেস্টে কোনো দেশে একজন ব্যাটারের করা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। রুট টপকে গেছেন ভারতের মাটিতে ৭ হাজার ২১৬ রান করা শচীন টেন্ডুলকারকে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৭ হাজার ৫৭৮ রান করে তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করেছেন অজি কিংবদন্তি রিকি পন্টিং। ঘরের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে রুটের রান হলো ২০০৬। ঘরের মাটিতে কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২ হাজারের অধিক রান করা দ্বিতীয় ক্রিকেটার হলেন রুট। তার ওপরে আছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ায় তার রান ২ হাজার ৩৫৪।


ভারতের বিপক্ষে টেস্টে জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেটের পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি হলো ৮টি, যা যৌথভাবে গর্ডন গ্রিনিজ ও ডেসমন্ড হেন্সের সঙ্গে শীর্ষে। ভারতের বিপক্ষে ১৮ ইনিংসে ক্রলি-ডাকেটের ওপেনিং জুটির রান ৯৮৪, ৩০ ইনিংসে জুটি গড়ে ১ হাজার ৩২৫ রান করে শীর্ষে আছেন গ্রিনিজ-হেন্সের।

বিজ্ঞাপন

৭.১৬
ওভালে ক্রলি ও ডাকেট ১২.৫ ওভারে ৯২ রানের জুটি গড়ার পথে ওভারপ্রতি ৭.১৬ করে রান তোলেন, যা টেস্টে ভারতের বিপক্ষে কোনো দলের ওপেনিং জুটিতে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানরেট। ৭.১৮ রানরেট নিয়ে শীর্ষে আছেন শহীদ আফ্রিদি ও ইয়াসির হামিদ জুটি, ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে ওপেনিং করতে নেমে ১২.৪ ওভারে ৯১ রান তুলেছিলেন দুজন। ভারতের বিপক্ষে টেস্টে দ্রুততম ১৫টি পঞ্চাশোর্ধ ওপেনিং জুটির চারটিই ক্রলি-ডাকেটের।

৫৩৯

‘অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি’তে এখন পর্যন্ত ক্রলি-ডাকেট জুটির রান ৫৩৯, বিগত এক দশকে কোনো টেস্টে সিরিজে যা প্রথমবার দেখা গেল। সবশেষ ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ওপেনিং জুটিতে পাঁচ শতাধিক রান করেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও জো বার্নস (৫৪৭)। আর গত দেড় দশকের হিসেবে ইংল্যান্ডের প্রথম ওপেনিং জুটি হিসেবে সিরিজে পাঁচ শতাধিক রান করেছেন ক্রলি-ডাকেট। ২০১০-১১ অ্যাশেজে সবশেষ পাঁচ শতাধিক রান করেন অ্যালিস্টার কুক-অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস জুটি (৫৪৯ রান)।

৪৮
ওভালে ক্রলি হাফ সেঞ্চুরি করার পথে ৪৮ রানই নিয়েছেন বাউন্ডারি থেকে, যা ২০০২ সালের পর থেকে ফিফটি করা ইনিংসে বাউন্ডারি রানের দিকে থেকে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ক্রলির ৬৪ রানের ইনিংসে ৫৬ রানই বাউন্ডারি থেকে, শতাংশের হিসাবে ৮৭.৫০ শতাংশ, যা কিনা ইংল্যান্ডের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ। ফিফটি করার পথে বাউন্ডারি হাঁকানোর দিক থেকে ক্রলির ওপরে আছেন কেবল অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ (৮৮.৮৯ শতাংশ) এবং ওলি পোপ (৮৮ শতাংশ)।


ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে প্রসিধ কৃষ্ণার চার উইকেট শিকারের মধ্যে দিয়ে এই সিরিজে ভারতের ছয় বোলার চার বা ততোধিক নিয়েছেন, যা যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৭৪-৭৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও ভারতের ছয় বোলার ইনিংসে চার বা ততোধিক উইকেট নিয়েছিলেন। আর একবারই কেবল ভারতের ৭ বোলার কোনো সিরিজে এমন কীর্তি গড়েছিলেন (১৯৬০-৬১ সাল, প্রতিপক্ষ পাকিস্তান)।

১০৬৬

এই সিরিজে এখন পর্যন্ত লোকেশ রাহুল ১০৬৬ বল মোকাবিলা করেছেন, যা ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট সিরিজে কোনো ভারতীয় ওপেনারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল খেলার ঘটনা। ১১৯৯ বল খেলে সবার ওপরে আছেন সুনীল গাভাস্কার (১৯৭৯ সালে)। আর সফরকারী দলের হিসেবে এর আগে সব মিলিয়ে ছয়জন ওপেনার ইংল্যান্ডের মাটিতে এক সিরিজে রাহুলের থেকে বেশি বল খেলেছেন। এখন পর্যন্ত রাহুলের করা ৫৩২ রান বিগত ২২ বছরের মধ্যে ইংল্যান্ডের মাটিতে কোনো ওপেনারের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয়, ৫৪২ রান নিয়ে শীর্ষে আছেন গাভাস্কার।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন