নতুন মৌসুম শুরুর আগেই দলবদলের বাজারে বড় চমক দেখিয়েছে বার্সেলোনা। তারা দলে ভিড়িয়েছে অ্যান্থনি গর্ডন, করিম আদেয়েমি, জোয়াও কানসেলো ও রদ্রির মতো তারকাকে। আক্রমণভাগে অ্যান্থনি গর্ডন ও করিম আদেয়েমির গতি, মাঝমাঠে রদ্রির নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণে জোয়াও কানসেলোর অভিজ্ঞতাÑসব মিলিয়ে হ্যান্সি ফ্লিকের দল এবার চমক দেখিয়েছে।
রদ্রির ক্ষেত্রে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে প্রায় ৭৫-৭৬.৫ মিলিয়ন ইউরোতে। চার বছরের চুক্তিতে তিনি বার্সায় আসছেন। নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে গর্ডনকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে নিয়েছে বার্সা। ইংল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড মূলত বাঁ প্রান্তের উইঙ্গার। তার গতি, প্রেসিং ও সরাসরি আক্রমণ বার্সার আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। গর্ডনের নিবন্ধন নিয়ে অবশ্য ক্লাবকে লা লিগার আর্থিক নিয়মের বিষয়টি সামলাতে হচ্ছে।
জার্মান ফরোয়ার্ড করিম আদেয়েমিও যোগ দিয়েছেন ডর্টমুন্ড থেকে। দুর্দান্ত গতির এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড় দুই উইংয়েই খেলতে পারেন, প্রয়োজনে সেন্টারেও উঠতে পারেন তিনি। ফলে ফ্লিকের হাতে এখন আক্রমণে আরো বেশি বিকল্প।
সবচেয়ে বড় সংযোজন নিঃসন্দেহে রদ্রি। ২০২৪ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ম্যানচেস্টার সিটিতে সাত মৌসুমে জিতেছেন ১২টি বড় শিরোপা। বল দখল, পাসিং, রক্ষণে ভারসাম্য এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে তার দক্ষতা বার্সার মাঝমাঠকে অনেক বেশি শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা।
এদিকে আল হিলাল থেকে কানসেলোও বার্সায় ফিরছেন। পর্তুগিজ এই ফুলব্যাক ডান ও বামÑদুই প্রান্তেই খেলতে পারেন। এবার তিনি স্থায়ীভাবে ফিরতে তিন বছরের চুক্তিতে রাজি হয়েছেন এবং বার্সায় ফেরার জন্য বেতনের একটি অংশ ছাড়তেও প্রস্তুত ছিলেন।
সব মিলিয়ে গত দুই মৌসুমের লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সা এবারও শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার। তৃতীয় টানা লিগ শিরোপার দৌড়ে তারা ফেভারিট হিসেবেই শুরু করবে। রদ্রির নিয়ন্ত্রণ, গর্ডন-আদেয়েমির গতি ও কানসেলোর অভিজ্ঞতা যদি ফ্লিক ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে লা লিগার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ঘুচিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফিও বার্সার বড় লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

