আমির জাঙ্গু এবং রস্টন চেজকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের হাতছানি ছিল হাসান মাহমুদের সামনে। অনেকটা ম্যাড়মেড়ে সকাল হঠাৎ করেই যেন জমজমাট হয়ে উঠল ওই ওভারে। হ্যাটট্রিক বলের জন্য স্লিপে ফিল্ডার বাড়ান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, বাউন্ডারি থেকেও ফিল্ডার ৩০ গজের মধ্যে এনে সেট করা হয় অ্যাটাকিং ফিল্ড। সবমিলিয়ে হাসানের হ্যাটট্রিক নিয়ে বেশ ভালোই প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ।
হ্যাটট্রিক বলটাও হয়েছিল দারুণ। হাসানের লেংথ বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করেন জশুয়া বিশপ, বল গিয়ে লাগে তার প্যাডে। আউটের আবেদন করতেই সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলে দেন পাকিস্তানি আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব। উল্লাসে ফেটে পড়েন ক্রিকেটার থেকে শুরু করে গ্যালারিতে থাকা দর্শকরাও। তবে বেরসিক রিভিউ সেই আনন্দের উপলক্ষ্যকে কিছুটা মলিন করেছে।
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশপ রিভিউ করলে দেখা যায়, বল ব্যাটে লেগে তারপর পায়ে লেগেছে বিশপের। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত বদলালে হ্যাটট্রিকটা হাতছাড়া হয় হাসানের।
মাসখানেক আগেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন হাসান মাহমুদ। সিলেট টেস্টে হ্যাটট্রিক করলে পরপর দুই টেস্টে হ্যাটট্রিক নেয়া পঞ্চম বোলার হতেন তিনি। সময়ের হিসেবে হতো দ্বিতীয় দ্রুততম। ১৯৯৯ সালে মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে টেস্টে দুটো হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম।
হাসানের জোড়া শিকারের পর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৭৭ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-26a22c-720x405.webp)