জয়টা ছিল পাকিস্তানের হাতের মুঠোয়। কেননা, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রানে গুটিয়ে দিয়ে জয়ের জন্য ২১১ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে উঠতে পারেনি তারা। ক্যারিবীয় বোলারদের গর্জনে দলীয় ৭১ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় বাবর আজমের দল। ফিফটি হাঁকিয়ে লড়াই করে যাচ্ছিলেন বাবর (৫৮*)। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস (২৩)। তবে তাদের লড়াই বিফলে গেছে। চরম নাটকীয়তায় জেডেন সিলসের ফাইফারে ১২০ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। তাতে ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ক্যারিবীয়দের কাছে প্রথম টেস্ট ৯০ রানে হেরে পিছিয়ে পড়েছে সফরকারীরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয়টা উৎসর্গ করেছে সদ্য প্রয়াত ক্যারিবীয় কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্সের জন্মদিনে!
এই হারে পাকিস্তান গড়ল লজ্জার এক রেকর্ড। বাংলাদেশসহ বিদেশের মাটিতে টানা আট টেস্টে হারের তেতো স্বাদ হজম করল তারা। দেশের বাইরে এর আগে কখনো এত টেস্ট হারেনি পাকিস্তান।
প্রথম ইনিংসে শাই হোপের ৯২ (১৮২ বল) এবং কাভেম হজের ৮৪ (১৮৩ বল) রানের ওপর ভর করে ক্যারিবীয়রা ৯৮.৫ ওভারে ৩১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে অধিনায়ক শান মাসুদের দুর্দান্ত শতক (১০৯) এবং ওপেনার ইমাম-উল-হকের ৬৩ রানের ওপর ভর করে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে তোলে ২৮২ রান। ২৯ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। বিশেষ করে অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের চমৎকার বোলিংয়ে (৫/২২) মাত্র ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস : ৩১১/১০ (হোপ ৯২, হজ ৮৪; আলী ৪/৫০, আব্বাস ৩/৬৩) ও দ্বিতীয় ইনিংস : ১৮১/১০ (জোসেফ ৩৮; আব্বাস ৫/২২)।
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস : ২৮২/১০ (মাসুদ ১০৯, ইমাম ৬৩; গ্রিভস ৫/২৭) ও দ্বিতীয় ইনিংস : ১২০/১০ (বাবর ৫৮; সিলস ৫/২০)।
ম্যাচসেরা : জাস্টিন গ্রিভস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
ফল : ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯০ রানে জয়ী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

