সব দিন সবার সমান যায় না। সব সময় ব্যাটিং-ফিল্ডিং দুটোই ভালো হবে- এমন তো কথা নেই। ব্যাটিং খারাপ হলে ফিল্ডিং ভালো হতে পারে। আর ফিল্ডিং বাজে হলে ব্যাটিং হতে পারে জম্পেশ। যেমন, আজ ফিল্ডিংটা মোটেই ভালো হলো না দক্ষিণ আফ্রিকার। অন্তত নিজেদের মানের তো নয় কোনোভাবেই। নইলে কি আর দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে ক্যাচ মিস হয় চার-চারটি! প্রতিপক্ষ আবার সংযুক্ত আরব আমিরাত।
তবে আমিরাত সুবিধাটা নিতে পারেনি। প্রোটিয়া ফিল্ডারদের ‘বাটার ফিঙ্গারে’র ফাঁক গলে চারটি নিশ্চিত ক্যাচ পড়লেও মধ্যপ্রাচ্যের দলটি ছয় উইকেট হারিয়ে তুলতে পেরেছিল সব মিলিয়ে ১২২ রান। হ্যাটট্রিক জয়ে ‘ডি’ গ্রুপ-সেরা হয়ে সুপার এইটের টিকিট আগেই কেটে রাখা প্রোটিয়াদের এই রান তাড়া করতে বিন্দুমাত্র বেগ পেতে হয়নি। ৪০ বল বাকি থাকতেই ছয় উইকেটের বড় জয় পেয়েছে এইডেন মার্করামরা। এ নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। পাঁচ দলের গ্রুপে জয়ের হাসি হেসেছে তারা চার ম্যাচের চারটিতেই।
‘ডি’ গ্রুপে সব মিলিয়ে আট পয়েন্টের পুঁজি নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সমান ম্যাচে ছয় পয়েন্টের সংগ্রহ নিয়ে দুইয়ে থাকা নিউজিল্যান্ডও সুপার এইট পর্বে সঙ্গী হয়েছে প্রোটিয়াদের। এই গ্রুপ থেকে আফগানিস্তান, আরব আমিরাত ও কানাডার বিদায় নিশ্চিত।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা আমিরাত সুবিধা করতে পারেনি। রানের চাকাই যেন ঘোরাতে পারেনি তারা। যদিও প্রথম তিন ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩০ রান তুলে ফেলেছিল দলটি। তারপরই ব্যাটিং বিপর্যয়। ৩৮ বলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪৫ করেন আলিশান শরাফু। আর ১২ বলে ২২ রান দলীয় স্কোরে যোগ করেন অধিনায়ক মুহাম্মদ ওয়াসিম। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়াদের হয়ে ২৫ বলে ৩৬ এনে দেন ডেভাল্দ ব্রেভিস। রায়ান রিকেলটনের কল্যাণে আসে ১৬ বলে ৩০। ১১ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন মার্করাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আরব আমিরাত : ১২২/৬, ২০ ওভার (শরাফু ৪৫, ওয়াসিম ২২, আর্যাংশ ১৩; বশ ৩/১২, নর্কিয়া ২/২৮, লিন্ডে ১/১৭)।
দক্ষিণ আফ্রিকা : ১২৩/৪, ১৩.২ ওভার (ব্রেভিস ২৬, রিকেলটন ৩০, মার্করাম ২৮, ডি কক ১৪; আরফান ১/১৬, ফারুক ১/১৯, জাওয়াদ উল্লাহ ১/২০)।
ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ছয় উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : করবিন বশ (দক্ষিণ আফ্রিকা)।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

