অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ইনজুরির বড় ধাক্কা, তবু আশাবাদী নির্বাচকরা

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ইনজুরির বড় ধাক্কা, তবু আশাবাদী নির্বাচকরা

বাংলাদেশ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে একের পর এক ইনজুরি। লিটন কুমার দাসের সঙ্গে ছিটকে গেছেন মূল পেসার নাহিদ রানাও। তবে এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই সেরা সম্ভাব্য দল নিয়ে ভালো করার আশা দেখছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

বিজ্ঞাপন

দল ঘোষণার পর আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য তারা প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই দল চূড়ান্ত করতে চেয়েছিলেন। বিশেষ করে টেস্ট দলটি ছিল সবচেয়ে স্থিতিশীল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্রিকেটারের ইনজুরি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বাধ্য করেছে নির্বাচকদের।

বাশার বলেন, ’আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। আশা করেছিলাম অন্তত একজন হলেও হয়তো একটি টেস্ট খেলতে পারবে। কিন্তু খেলাধুলায় সব সময় আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু হয় না। সব খেলোয়াড়কে সব সময় পাওয়া যায় না।’

ইনজুরির কারণে হতাশা থাকলেও সেটিকে অজুহাত করতে চান না তিনি, ‘এটা শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, কিছুটা হতাশাজনকও। কিন্তু বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। আমাদের হাতে যে সেরা দলটা আছে, তাদের নিয়েই যেতে হবে। ইনজুরি হলে আসলে কারও কিছু করার থাকে না।’

নাহিদ রানার অনুপস্থিতিকে অবশ্য বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন তিনি, ‘নাহিদ রানা বিশেষ একজন বোলার। বিশ্ব ক্রিকেটেই এমন গতির বোলার খুব বেশি নেই। তাকে না পাওয়াটা অবশ্যই বড় আক্ষেপ। তবে সেটা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। আমাদের সামনে এগোতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেনের ওপরই এখন ভরসা রাখতে হবে। বাশার যোগ করেন, ‘তাসকিন ফিট থাকলে, সে দুর্দান্ত বোলার। হাসান মাহমুদও নিজেকে প্রমাণ করেছে। খালেদ ও এবাদতও অতীতে ভালো করেছে। তাই যারা আছে, তাদের নিয়েই লড়তে হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে সফল হতে ব্যাটারদের ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েও পরামর্শ দেন তিনি, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে। ওদের বোলাররা আক্রমণাত্মক। তারা আশা করে প্রতিপক্ষ রক্ষণাত্মক থাকবে। কিন্তু আপনি যদি ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলেন, তাহলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন