পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে করাচি কিংসের মুখোমুখি হয় লাহোর কালান্দার্স। এই ম্যাচে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ ওঠে লাহোরের অভিজ্ঞ ব্যাটার ফখর জামানের বিপক্ষে। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। যদিও প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন এই ক্রিকেটার।
গত ২৯ মার্চ করাচি কিংসের ইনিংসের শেষ ওভারে হ্যারিস রউফকে বোলিংয়ে আনেন লাহোরের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি। ওই সময় হ্যারিস ও শাহিনের সঙ্গে কথা বলেন ফখর জামান। সে সময় হ্যারিস রউফের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বল আদান-প্রদান করেন। তখনই আম্পায়ারদের সন্দেহ হয় বলের আকৃতি পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী সময়ে প্রমাণ পেলেও পরিবর্তন করা হয় বল এবং লাহোরকে জরিমানা হিসেবে করাচি কিংসকে পাঁচ রান দেয় ম্যাচ অফিসিয়ালসরা।
এ ঘটনার পর ম্যাচ রেফারি রোশান মহানামার কাছে অভিযোগ তোলেন দুই অন ফিল্ড আম্পায়ার শরফুদৌল্লা ইবনে শহীদ সৈকত ও ফয়সাল খান আফ্রিদি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হলে সেখানে অভিযোগ অস্বীকার করেন ফখর জামান। পরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানায়, ভিডিও ফুটেজ দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পরবর্তী সময়ে ভিডিও ফুটেজ দেখে স্পষ্ট হয়, ফখর জামান বল টেম্পারিংয়ের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় পিএসএলের আচরণবিধির লেভেল ৩ ভঙ্গ করেছেন ফখর জামান। এই ধারা অনুযায়ী দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হলেন ফখর জামান। যদিও পিএসএলের নিয়ম অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। তবে আপিল করবেন কি না সেই বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু জানা যায়নি। এমনকি লাহোর কালান্দার্সও এই ব্যাপারে কিছু জানায়নি।
এর আগে বল টেম্পারিং কান্ডে ২০১৮ সালে ঝড় ওঠে বিশ্বজুড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বল টেম্পারিং করেন অস্ট্রেলিয়ার তিন ক্রিকেটার- স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরুন ব্যানক্রাফট। পরবর্তী সময়ে তারা লম্বা সময়ের জন্য নিষিদ্ধ হন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

