ফিফা থেকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ পেল ম্যানসিটি

ফিফা থেকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ পেল ম্যানসিটি

বিশ্বকাপে ফুটবলার পাঠিয়ে ফিফার ‘ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রাম’ (সিবিপি) থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ আয় করার রেকর্ড গড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক-এর একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ নিয়ে টানা তিন আসরে ফিফার তহবিল থেকে সর্বোচ্চ অনুদান পাওয়ার গৌরব অর্জন করল ইংলিশ ক্লাবটি।

বিশ্বকাপের সময় ক্লাবগুলোকে তাদের খেলোয়াড় ছাড়ার বিনিময়ে আর্থিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিফা সিবিপি ফান্ড প্রদান করে থাকে। এবার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই তহবিলের আকার ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে সব মিলিয়ে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার নির্ধারণ করে, যা ফিফার ইতিহাসে রেকর্ড। এর মধ্যে ২৫ কোটি ডলার মূল পর্বে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের খেলোয়াড়দের ক্লাবগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

দ্য অ্যাথলেটিকের তথ্য অনুযায়ী, সিবিপির নিয়ম মেনে ম্যানচেস্টার সিটি বিশ্বকাপ থেকে আনুমানিক ৪৪ লাখ ডলার আয় করছে। টুর্নামেন্টের শেষ সপ্তাহ এবং ফাইনাল পর্যন্ত সিটির কয়েকজন তারকা ফুটবলার মাঠ মাতিয়েছেন। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রদ্রি এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের হয়ে লড়াই করা রায়ান শেরকি, মার্ক গেহি, জন স্টোনস ও জেমস ট্রাফোর্ডের মতো ফুটবলারদের বড় অবদান রয়েছে ক্লাবের এই উপার্জনে।

আয়ের এই তালিকায় সিটির পরেই দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে স্প্যানিশ পরাশক্তি বার্সেলোনা (৩৯ লাখ ডলার)। এছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্য ক্লাবগুলোর মধ্যে আর্সেনাল (৩৩ লাখ ডলার), ক্রিস্টাল প্যালেস (২৭ লাখ ডলার) এবং সান্ডারল্যান্ড (২২ লাখ ডলার) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পেয়েছে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব মিলিয়ে ১,২৪৮ জন ফুটবলারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশই ছিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের। ফলে লিগভিত্তিক আয়েও শীর্ষে ইংলিশ ক্লাবগুলো, যারা সম্মিলিতভাবে পেয়েছে ৩ কোটি ৪২ লাখ ডলার। ১ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানির বুন্দেসলিগা। ম্যানচেস্টার সিটির বার্ষিক বিশাল বেতনের তুলনায় এই অর্থ খুব বড় না হলেও, বিশ্ব ফুটবলে তাদের খেলোয়াড়দের প্রভাব ও সাফল্যের বিষয়টি এই আয়ের মাধ্যমেই পুনরায় প্রমাণিত হলো।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন