ইতিহাদে ম্যানসিটির দুর্গ ভাঙল পিএসজি

ইতিহাদে ম্যানসিটির দুর্গ ভাঙল পিএসজি

আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলেও রক্ষা পেল না ম্যানচেস্টার সিটি। নিজেদের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরুতেই তিন গোল হজম করে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে পেপ গার্দিওলার দল। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে সিটি। প্রথমার্ধে তিন গোলের লিড নেওয়া ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল সিটি। ১২ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে আসা বল গোলরক্ষক মাতভেই সাফানভের হাতে লেগে ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে আসে। এরপর দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি।

১৩ মিনিটে ফ্যাবিয়ান রুইজের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। দুই মিনিট পর দুয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে। মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকেরা।

২৫ মিনিটে হালান্ডের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ব্যবধান কমানোর সুযোগ নষ্ট করে সিটি। উল্টো ৩১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির হেড পোস্টে লাগে। পরের মিনিটেই ওয়ারেন জাইরে-এমেরির ফ্লিক থেকে বল পেয়ে বাঁকানো শটে পিএসজির তৃতীয় গোলটি করেন ভিতিনিয়া। যোগ করা সময়ে জেরেমি ডোকুর শট ঠেকিয়ে সিটির আরেকটি গোলের সম্ভাবনা নষ্ট করেন সাফানভ। ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকেরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করে সিটি। তবে প্রথম কয়েকটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ৫৩ মিনিটে ইলিমান এনদাইয়ের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান কমান হালান্ড। এতে ম্যাচে ফেরার আশাও জাগে স্বাগতিকদের। কিন্তু সেই আশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

৬০ মিনিটে ম্যাঘনেস অ্যাকলিউসের শটে পিএসজির চতুর্থ গোল আসে। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা বলের গতি কমালেও শেষ পর্যন্ত তা গোললাইন অতিক্রম করে। ব্যবধান আবার তিন গোলে পৌঁছালে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে সিটি।

এরপরও লড়াই ছাড়েননি হালান্ড। ৭৪ মিনিটে তাঁর হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটেই আয়ুব বুয়াদির পাস পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। ব্যবধান ৪-২ হওয়ায় শেষ দিকে ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে।

৮৩ মিনিটে হ্যাটট্রিকের সুযোগও পেয়েছিলেন হালান্ড। তবে গোললাইন থেকে তাঁর শট ফিরিয়ে দেন পিএসজির গোলরক্ষক। ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে নুনো মেন্দেস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। কিন্তু স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি ফেররান তোরেস; তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুমা। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই ইতিহাদ ছাড়ে পিএসজি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন