ফিফা আসিয়ান কাপ

বাংলাদেশের টার্গেট এখন সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া

বাংলাদেশের টার্গেট এখন
সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া

ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলের হারের ম্যাচে সম্ভাবনাময় ফুটবল উপহার দিতে পারেনি বাংলাদেশ। হামজা-শমিতদের সঙ্গে দলে আরো তিন বংশোদ্ভূত ফুটবলার খেলছেন। দলের শক্তি বাড়লেও টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত ফল আসেনি। মালয়েশিয়ার কাছে হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সমীকরণটাও কঠিন হয়ে গেল। তাদের সামনে এখন সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ। এই দুটি দলও শক্তিশালী। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে তারা। তাই আসন্ন দুটি ম্যাচও সহজ হবে না। তবে মালয়েশিয়া ম্যাচ ভুলে বাংলাদেশ কোচ থমাস ডুলির চোখ এখন সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের দিকে। তিনি বলেছেন, ‘এই ম্যাচ (মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ) থেকে আমাদের শেখার আছে। এখন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে আরো ভালো করার চেষ্টা করব। এরপর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ভালো একটি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করব আমরা। এজন্য সবাই কঠোর পরিশ্রম করছে।’ কোচ ডুলি মনে করেন, আসিয়ান কাপের আগে বাংলাদেশ শেষ ম্যাচ খেলেছিল সান মারিনোর বিপক্ষে গত জুনে। এরপর ঘরোয়া লিগেও খেলেনি ফুটবলাররা। এ অবস্থায় মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচটি বড় ব্যবধানে হারলেও সব মিলে ম্যাচে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি কোচ ডুলি।

বিজ্ঞাপন

আজ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচের আগে বেশ আত্মবিশ্বাসী হামজা-শমিতরা। গত এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে এই সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল খেলেছেন তারা। জয়ের দারুণ সম্ভাবনাও জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তের ভুলে হারতে হয়েছে তাদের। ২০২৫ সালের ১০ জুন ঘরের মাঠ জাতীয় স্টেডিয়ামে সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে হারের ম্যাচে বেশ কিছু সুযোগ মিস না হলে ফল ভিন্ন হতে পারতো। গত মার্চে ফিরতি ম্যাচে সিঙ্গাপুরে গিয়েও সম্ভাবনাময় ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। ম্যাচটি ১-০ গোলে হারলেও হামজাদের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ আশাজাগানিয়া। এবার আসিয়ান কাপের মঞ্চে আবার মুখোমুখি হবে দুদল। গত ম্যাচের অভিজ্ঞতা আর নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সিঙ্গাপুর ম্যাচে ভালো কিছু করার অপেক্ষায় কোচ ডুলির দল।

অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়া ম্যাচটিকে ঘিরেই বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনেক। ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমস খেলতে ইন্দোনেশিয়ায় গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখানে বাংলাদেশের সুখস্মৃতি রয়েছে। তাছাড়া ইন্দোনেশিয়াকে ৪-০ গোলে হারানোর রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের। তাই এবার অতীত পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর টার্গেট থাকবে তাদের। সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে ভালো কিছু করে দেখাতে পারলে পরবর্তী রাউন্ডে খেলতে পারে বাংলাদেশ। তা না হলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে হামজাদের। শেখ মোরসালিন বলেন, ‘আমরা এখন চিন্তা করছি পরের ম্যাচটা নিয়ে। কীভাবে পরের ম্যাচটি জিতবো, ওই পরিকল্পনা করছি। আমরা তো এখানে জিততে এসেছি। সবার মনে করা উচিত, আমরা এই টুর্নামেন্ট জিততে এসেছি। তাই আমরা পরের ম্যাচ জিততে চাই, এটা আমাদের টার্গেট।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন