জার্মান লিগে উঠে আসা শালকের রক্ষণের সামনে হোঁচট খেল বায়ার্ন মিউনিখ। একের পর এক সুযোগ মিস এবং আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় শালকের ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দলকে। এর ফলে টানা ৫৮টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করার অবিশ্বাস্য রেকর্ডের ইতি ঘটলো বায়ার্নের।
ম্যাচের শুরুতে মূল একাদশে বড় রদবদল আনেন বায়ার্ন কোচ কোম্পানি। আগের দুটি ম্যাচে ভিএফবি স্টুটগার্টকে ৫-১ এবং ডিএফবি পোকাল-এ ওসব্রুককে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিলেও, এই ম্যাচে হ্যারি কেইন ও মাইকেল অলিসকে বেঞ্চে রেখে নামায় বায়ার্ন। প্রথম অর্ধে বায়ার্নের নিয়ন্ত্রণে বল থাকলেও তাদের আক্রমণ ছিল বেশ অগোছালো।
ম্যাচে গোল করার সবচেয়ে সহজ সুযোগগুলো হাতছাড়া করেন লুইস দিয়াজ। প্রথমার্ধে শালকে গোলরক্ষক লরিস কারিউসকে একা পেয়েও দূর দিয়ে বল বাইরে মারেন তিনি। বিরতির পর কারিউসের ওপর দিয়ে নেওয়া তার একটি হালকা চিপ শট গোললাইন ছোঁয়ার আগেই ক্লিয়ার করে শালকে রক্ষণ।
বিরতির পর হ্যারি কেইনকে মাঠে নামানো হয়। তবে ম্যাচের ৩৫ মিনিট বাকি থাকতে অলিস এবং জামাল মুসিয়ালা নামলে বায়ার্নের আক্রমণের ধার বাড়ে। প্রাক-মৌসুমে দু'টি ম্যাচে খিঁচুনির সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর এই প্রথম স্কোয়াডে ফিরলেন মুসিয়ালা, যা এই ম্যাচের অন্যতম ইতিবাচক দিক।
ম্যাচের শেষদিকে কোনরাড লাইমারের শট সাইড নেটে লাগে এবং হ্যারি কেইনের একটি দূরপাল্লার বুলেট শট আঙুলের ডগায় উড়িয়ে দিয়ে শালকেকে বাঁচান কারিউস। শেষ পর্যন্ত শালকের সুসংগঠিত রক্ষণে চিড় ধরাতে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন। ফলে মৌসুমে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করে শালকে।
বুন্দেসলিগায় এটি কেইনের ৯৬তম ম্যাচ ছিল। প্রতিযোগিতায় দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন মাত্র ১২৯ ম্যাচে, আর কেইনের সেঞ্চুরি পূরণ করতে এখন প্রয়োজন মাত্র ২টি গোল।
বুন্দেসলিগায় মুখোমুখি হওয়া আগের ২০টি দলের সবকটির বিপক্ষেও গোল করার রেকর্ড ছিল কেইনের। তবে এবার ২১তম দল হিসেবে শালকে তাকে গোলহীন রাখতে সক্ষম হলো।
টানা ৬৭টি বুন্দেসলিগা ম্যাচডে (প্রায় দুই বছর) পর এই প্রথম টেবিলের শীর্ষে থেকে সপ্তাহ শেষ করতে পারছে না বায়ার্ন মিউনিখ।
আগামী বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়নশ লিগের প্রথম ম্যাচে বোডো/গ্লিমটের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর বুন্দেসলিগায় লিগের আরেক নতুন দল এলভার্সবার্গের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

