বিশ্বকাপের টানা ছয় সপ্তাহের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে শিরোপার ফয়সালা হলেও, বহু ফুটবলারের কাছে এই টুর্নামেন্ট ছিল এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের সব মিলিয়ে ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৯৮ জন এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি। যাদের মধ্যে ৬৬ জন ছিলেন গোলকিপার।
সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে বেঞ্চে বসে কাটানো শীর্ষ ১০ জন পরিচিত ও তারকা ফুটবলার
এনগোলো কান্তে (ফ্রান্স)
২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী তারকা হওয়া সত্ত্বেও কোচ দিদিয়ে দেশম তাকে টুর্নামেন্টের ৮টি ম্যাচের একটিতেও মাঠে নামাননি।
কোবি মাইনু (ইংল্যান্ড)
ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে খেলা এই মিডফিল্ডারকে টমাস টুখেল একবারের জন্যও বদলি হিসেবে নামাননি।
ভিক্টর মুনিয়োজ (স্পেন)
চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে খেলতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত না খেলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন।
দাভিদ রায়া (স্পেন)
উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী আর্সেনালের এই কিপারকে পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে কাটাতে হয়।
জেমস ট্র্যাফোর্ড (ইংল্যান্ড)
ইংল্যান্ডের তৃতীয় গোলকিপার হিসেবে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি।
ব্রেমার (ব্রাজিল)
গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওস সেন্ট্রাল ডিফেন্সে নিয়মিত থাকায় জুভেন্টাসের এই ডিফেন্ডার সুযোগ পাননি।
রোনাল্দ আরাউহো (উরুগুয়ে)
বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার মূলত চোটের কারণে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মিস করেন এবং উরুগুয়েও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।
আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো (স্পেন)
মার্ক কুকুরেয়া দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় গ্রিমালদোকে না খেলেই বিশ্বজয়ের ট্রফি স্পর্শ করতে হয়।
গনসালো ইনাসিও (পর্তুগাল)
রুবেন দিয়াস ও রেনাতো ভেইগার নির্ভরযোগ্যতার কারণে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।
ম্যাটস উইফার (নেদারল্যান্ডস)
পুরো টুর্নামেন্টেই ডাচ বেঞ্চে বসে কাটাতে হয়েছে এই মিডফিল্ডারকে।
বিশ্বকাপে প্রতিটি ফুটবলারের স্বপ্ন থাকে দেশের জার্সিতে মাঠে নামার। কিন্তু তীব্র প্রতিযোগিতা, টিম কম্বিনেশন আর চোটের কবলে পড়ে এই ১০ তারকা ফুটবলারকে দলের সাফল্য ও ব্যর্থতার সাক্ষী হতে হয়েছে নিছক গ্যালারি বা ডাগআউটে বসে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

