ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চ স্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মাদরাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পণ্ড হয়ে যায় জেলা পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় শিক্ষার্থী ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিআইজি অনুষ্ঠান উপভোগ করে চলে যাওয়ার পরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি চলছিল।
এ সময় উচ্চ স্বরে গান বাজানোয় আশপাশের মাদরাসার শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসাছাত্রদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে ঢুকলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় মাদরাসাছাত্ররাও ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে।
দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, পরদিন তাদের পরীক্ষা ছিল। উচ্চ স্বরে গান বাজানোয় তাদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছিল। তাই প্রথমে তারা কয়েকজন ভেতরে গিয়ে শব্দ কমাতে অনুরোধ করেন। কিছু সময় শব্দ কমালেও পরে আবার বাড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে । তারা এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-895a2f.jpg)