ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে নাটকীয় এক ম্যাচে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২-১ গোলে হারের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে পড়ে ইউনাইটেড। প্রথমার্ধেই নোয়া ওকাফোরের জোড়া গোলে এগিয়ে যায় লিডস। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘটে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
অফ দ্য বল পরিস্থিতিতে লিডসের স্ট্রাইকার ডমিনিক কালভার্ট-লুইনের চুল ধরে টানার অভিযোগ ওঠে মার্টিনেজের বিরুদ্ধে। মাঠের রেফারি প্রথমে বিষয়টি খেয়াল না করলেও ভিএআরের পরামর্শে মনিটরে দেখে সরাসরি লাল কার্ড দেখান পল টিয়ার্নি।
এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিক ম্যাচ শেষে বলেন, “এটা আমার দেখা সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্তগুলোর একটি। কালভার্ট-লুইন আগে মার্টিনেজের মুখে হাত দিয়েছেন। তারপরও মার্টিনেজই লাল কার্ড পেল—অবিশ্বাস্য। এটা টানাও না, ধাক্কাও না। সে শুধু স্পর্শ করেছে। অথচ ভিএআর দেখে এটাকে ‘স্পষ্ট ভুল’ বলে বদলানো হলো! শকিং।”
অন্যদিকে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন সুর কালভার্ট-লুইনের কণ্ঠে। তিনি বলেন, “আমি চুলে টান অনুভব করেছি, রেফারিকে বলেছি। সিদ্ধান্ত নেওয়া তার কাজ। ইচ্ছাকৃত হোক বা না হোক, আমার কোনো ক্ষোভ নেই।”
লিডস কোচ ড্যানিয়েল ফার্কে অবশ্য বিতর্কে জড়াতে চাননি। তার মন্তব্য, “১১ বনাম ১১ খেলাই ভালো হতো। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা জিতেছি—এটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
চোট কাটিয়ে দুই মাস পর মাঠে ফিরেই এমন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মার্টিনেজ। ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে এই লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত। ইউনাইটেড কোচ ক্যারিক ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, তারা এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার কথা ভাবছে। এখন দেখার বিষয়, সেই আপিলে শাস্তি কমানোর কোনো সুযোগ তৈরি হয় কি না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

