ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই অর্থনীতি শক্তিশালী করতে হবে। তেহরান নিষেধাজ্ঞার অধীনেও নিজেদের তেল বিক্রি করতে সক্ষম বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর বার্তা সংস্থা মেহেরের।
তিনি বলেন, ‘আমার এমন একটি পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কার্যক্রম একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। আর এজন্যই দেশগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়।’
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ইরান বর্তমানে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে। তবে আমরা এখনো আমাদের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি এবং আমাদের তেল বিক্রি করছি। তারা আমাদের তেল বিক্রি শূন্যে নামিয়ে আনতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা পারেনি। কারণ বিভিন্ন উপায় এবং সম্ভাবনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ইরানের ভাগ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ওপর নির্ভর করে না।
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারলে সেটা অবশ্যই খুব ভালো হবে। এটাই করা উচিৎ। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি আলোচনার অপব্যবহার করতে চায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই ইরান সবকিছু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করবে না।’
এরআগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নির্ধারণ করে ইরান। গত ৪ আগস্ট ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভবিষ্যতে যে কোনো আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর হামলার জন্য দায়ী করা হবে এবং ক্ষতিপূরণ চাওয়া হবে। একই সঙ্গে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন তিনি।
গত ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালায়। ওই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধে স্বল্প সময়ের জন্য অংশগ্রহণ করে। এই যুদ্ধ ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



