ট্রাম্পের হাতের দাগ নিয়ে কৌতূহল

ট্রাম্পের হাতের দাগ নিয়ে কৌতূহল

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পা ফোলা এবং হাতে কালশিটে দাগ দেখা দিয়েছে। রোগ নির্ণয়ের জন্য তার শারীরিক পরীক্ষার পর ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’ নামক রোগ ধরা পড়েছে, যাকে বলা হয় ‘দীর্ঘস্থায়ী শিরার জটিলতা’ রোগ।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, এটি গুরুতর নয় বরং সাধারণ একটি রোগ। এর উপসর্গ সাধারণ। এই রোগে ক্ষতিগ্রস্ত শিরাগুলো শরীরে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে বাধা দেয়। ফলে পা ফোলা, ব্যথা, নীলচে শিরা, চুলকানি বা ত্বকে পরিবর্তন দেখা দেয়। সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত এই রোগ বেশি দেখা দেয়।

বিজ্ঞাপন

৭৯ বছর বয়সি ট্রাম্প হলেন আমেরিকার ইতিহাসে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনকারী সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বয়স নিয়ে নানা কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। ট্রাম্পের চেয়ে তিন বছরের সিনিয়র বাইডেন পরে নিজের দলের চাপের মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

লেভিট আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব পরীক্ষার ফলাফল স্বাভাবিক সীমার মধ্যে রয়েছে। হৃদরোগ বা কিডনির কোনো সমস্যা তার নেই। রক্তনালীর রোগের মতো গুরুতর কোনো সমস্যার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের হাতে আঘাতের চিহ্ন বা কালশিটে দাগ নিয়ে অনলাইনে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। এ বিষয়ে লেভিট বলেন, দাগগুলো মূলত ঘন ঘন করমর্দনের ফলে হয়েছে। কারণ এতে করে হাতের নরম টিস্যুতে চাপ পড়ে। ফলে সামান্য জ্বালা অনুভূত এবং রক্তক্ষরণ হয়েছে। এছাড়া অ্যাসপিরিন সেবনের কারণেও হয়ে থাকে। হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে প্রতিদিন অ্যাসপিরিন সেবন করতেন ট্রাম্প।

ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ম্যাথিউ এডওয়ার্ডস বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের বয়সি মানুষদের মধ্যে ১০ থেকে ৩৫ শতাংশের মধ্যে এই রোগ দেখা দেয়। এই রোগটি একেবারেই গুরুতর রোগ নয়, খুবই সাধারণ একটি রোগ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন