মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের কংগ্রেসের প্রতীক ‘জোড়াফুল’ আর থাকছে না। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ করেছে দেশশটির নির্বাচন কমিশন। ২৮ বছর আগে এই প্রতীক নিজে হাতে এঁকেছিলেন মমতা। এই প্রতীক পাচ্ছে না ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূলও।
তৃণমূলের প্রতীক-দ্বন্দ্বে অন্তর্বর্তী এই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আপাতত কোনো পক্ষকেই আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত তারা ব্যবহার করতে পারবে না। দুই পক্ষকে নিজেদের জন্য আলাদা নাম বেছে নিতে হবে। চাইলে সেই নামের সঙ্গে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সম্পর্কের উল্লেখ রাখা যাবে।
প্রতীক হিসেবে জোড়াফুলও ব্যবহার করতে পারবে না মমতা কিংবা ঋতব্রতের পক্ষ। উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকে কমিশনের সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে আলাদা আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূলের প্রতীক বা দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। ১৯৯৮ সালে পথ চলা শুরু করেছিল তৃণমূল। এখন ২০২৬ সাল। দীর্ঘ ২৮ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে কোনো ভোট হবে জোড়াফুল প্রতীক ছাড়াই।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতাকে শুধু সরকার থেকে সরতে হয়নি, তার নিজের হাতে গড়ে তোলা দলই অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়ে গেছে।
আসল তৃণমূল কে, প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে একাধিক বার তৃণমূলের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশন। শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় তৃণমূলের দু’পক্ষকে তলব করা হয়েছিল দিল্লির নির্বাচন সদনে।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন/হিন্দুস্তান টাইমস
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


