ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজাও ছিল ঘটনাবহুল, অবাক হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজাও ছিল ঘটনাবহুল, অবাক হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রাকে কেন্দ্র করে ১৯৮৯ সালের মতো বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ (ইরনা) জানায়, নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

১৯৮৯ সালে আলি খামেনির পূর্বসূরি ইমাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও দাফানে প্রায় এক কোটি মানুষের সমাগম ঘটে। ওই সময় জনতার চাপে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন।

সেই ঘটনার সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত ছিল, শোকাহত জনতা খোমেনিকে বহনকারী যানবাহন ঘিরে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে তাঁকে বহনকারী কফিনটি ভেঙে যায় এবং লাশটি মাটিতে পড়ে যায়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁর লাশ দাফনের স্থানে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

সোমবারের শোকযাত্রায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও তারা কতটা কাছাকাছি যেতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

শেষযাত্রায় অংশ নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী গোলামরেজা খানবাবাই বলেন, আমি যদি এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৮৯ সালের অনুষ্ঠানটির তুলনা করি, তাহলে বলব দুটির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে এবার মানুষের উৎসাহ আরো বেশি বলে মনে হচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন