জাতিসংঘের তথ্য

গাজা পুনর্গঠনে ৭০ বিলিয়ন ডলার দিতে ইচ্ছুক বিভিন্ন দেশ

গাজা পুনর্গঠনে ৭০ বিলিয়ন ডলার দিতে ইচ্ছুক বিভিন্ন দেশ

দুই বছর ধরে গাজায় বর্বর আগ্রাসন চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। হত্যা করেছে ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষকে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ৮০ শতাংশেরও বেশি ঘর-বাড়ি, অবকাঠামো। ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হয় যুদ্ধবিরতি। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে। আর এজন্য অন্তত ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। মঙ্গলবার জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় ১৩ গুণ পিরামিডের সমান ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির জ্যাকো সিলিয়ার্স নামে এক কর্মকর্তা বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইল যে যুদ্ধ চালিয়েছে তাতে কমপক্ষে ৫৫ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে এবং গাজা পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এই পুনর্গঠন কাজে আমেরিকা, কানাডাসহ আরব ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই সহায়তার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে। আর এ সাহায্যের বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে তাদের আলোচনাও হয়েছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে তাদের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়ি-ঘরে ফিরে এসেছেন। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, দুই বছর ধরে ইসরাইলি বোমা হামলায় গাজার বিশাল অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

ধ্বংসের একটি বড় অংশ গাজা সিটিতে যেখানে ভয়াবহ যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘের উপগ্রহ কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, সেখানকার সমস্ত ভবন কাঠামোর প্রায় ৮৩ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউএনডিপি এখন পর্যন্ত গাজা থেকে ৮১ হাজার টন ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করেছে বলে জানিয়েছে।

অন্যদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান বলেছেন, গাজা পুনর্গঠনের জন্য উপসাগরীয় দেশ আমেরিকা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন চাইবেন তিনি। মিশরের শারম এল-শেখ থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তার সরকার মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন নিয়ে কাজ করছে, পাশাপাশি গাজায় কনটেইনার ঘর পাঠানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন