যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য চীন প্রতিরক্ষায় আর শীর্ষ প্রাধান্য হিসেবে বিবেচিত হবে না। এছাড়া ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মিত্রদের জন্য সহযোগিতা ‘আরো সীমিত’ করে আনা হবে। এর বদলে নিজ ভূখণ্ড রক্ষায় বেশি মনোযোগী হবে সামরিক বাহিনী।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগনের চলতি বছরের জন্য কৌশলগত নীতিমালা ২০২৬ ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্রাটেজির (এনডিএস) এমন তথ্য তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে পেন্টাগনের দীর্ঘদিনের নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখন নিজ ভূমির প্রতিরক্ষা ও ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে মনোযোগী হবে, বিভিন্ন স্থানে আমাদের মিত্র ও অংশীদারেরা তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য প্রাথমিক দায়িত্ব নিজেরাই নেবে। তবে আমেরিকার বাহিনীর কাছ থেকে তারা আরো সীমিত কিন্তু কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা পাবে।’
৩৪ পৃষ্ঠার েই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপের সভ্যতা পতনের মুখোমুখি হয়েছে। এতে রাশিয়া আমেরিকার জন্য আর নিরাপত্তা হুমকি নয় বলে মন্তব্য করা হয়। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাশিয়ার হুমকি ‘স্থির কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া আগের নীতিমালার ব্যতিক্রম ঘটিয়ে চীন আর ‘শীর্ষ উদ্বেগ’ নয় বলে মন্তব্য করা হয়। এতে বলা হয়, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন ‘সংঘর্ষ নয়, শক্তির মাধ্যমে’ অগ্রসর হবে। প্রতিবেদনে বেইজিংয়ের সঙ্গে ‘সম্মানজনক সম্পর্ক’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়। তবে প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ করা হয়নি। ছোট এ দ্বীপকে দখলে নেওয়ার জন্য বেইজিং ধারাবাহিকভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
এর আগে ২০১৮ সালে প্রকাশিত এনডিএসে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শীর্ষ ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া রাশিয়াকে ‘তীব্র হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
নতুন এনডিএসে বলা হয়, আগের প্রশাসন সীমান্ত নিরাপত্তাকে অবহেলা করেছিল। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ‘অবৈধ বিদেশিদের বন্যা’ ও মাদকের ছড়াছড়ি হয়ে যায়। এতে বলা হয়, ‘সীমান্তের নিরাপত্তাই জাতীয় নিরাপত্তা। এ কারণে আমাদের সীমান্ত বন্ধ করা, অনুপ্রবেশ রোধ করা এবং অবৈধ বিদেশিদের বহিষ্কার করাই অগ্রাধিকার পাবে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ভারতের মহারাষ্ট্রে অমুসলিমকে হজ কমিটির
প্রধান নিয়োগে ক্ষোভ
পাকিস্তানে হোটেলের বেজমেন্টে আগুন, নিহত ৩