আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

চীনা প্রেসিডেন্টের আকস্মিক তিব্বত সফর, ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ

আতিকুর রহমান নগরী

চীনা প্রেসিডেন্টের আকস্মিক তিব্বত সফর, ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ
ছবি: আল জাজিরা

আকস্মিকভাবে তিব্বত সফর করলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিব্বতে চীনা শাসনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটিতে সফরে যান তিনি। তিব্বতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি শি জিনপিংয়ের দ্বিতীয় সফর। খবর বিবিসির।

এসময় শি ‘বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই’ করায় তিব্বত সরকারের প্রশংসা করেন। প্রায় ২০ হাজার মানুষের সামনে উপস্থিত হয়ে ঐক্যের আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট।

বিজ্ঞাপন

জনতার উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে শি বলেন, ‘তিব্বতকে শাসন, এর স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য প্রথম কাজ হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক স্থিতিশীলতা, জাতিগত ঐক্য এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা।’

বুধবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠকে, তিব্বতে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং কর্মী বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

শি বলেন, তিব্বতে তাদের চারটি প্রধান কাজ হলো স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, উন্নয়ন সহজতর করা, পরিবেশ রক্ষা করা এবং সীমান্ত শক্তিশালী করা।

১৯৫১ সালে কমিউনিস্ট বাহিনী তিব্বত দখল করে। ১৯৬৫ সালে চীনা নেতা মাও সেতুংয়ের একদলীয় শাসন তিব্বতে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে।

চীন দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তিব্বতিদের তাদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে জুন মাসে বিবিসি যখন সিচুয়ান প্রদেশের একটি তিব্বতি মঠ পরিদর্শন করে, তখন ভিক্ষুরা দাবি করেন, তিব্বতিদের মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) তাদের নিপীড়ন ও নির্যাতন চালাচ্ছে।

বেইজিংয়ের দাবি, তাদের শাসনামলে তিব্বতের মানুষের জীবনযাত্রার মান ব্যাপকভাবে উন্নত হয়েছে। মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমন করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন।

তিব্বত হলো চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। চীন দাবি করে, তিব্বত শতাব্দীকাল ধরে তাদের ভূখণ্ডের অংশ ছিল। তবে অনেক তিব্বতির দাবি, তারা তাদের নিজস্ব বৌদ্ধ ধর্মতন্ত্রের অধীনে বেশিরভাগ সময়ই স্বাধীন ছিল।

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন