ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বুধবার জানিয়েছে, রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় রাশিয়া ১৩০টি ড্রোন, ৪৮টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অনির্দিষ্টসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
জেলেনস্কি জানান, ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার চালানো অন্যতম বড় এই হামলায় ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়।
জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের জ্বালানি অবকাঠামো ছিল অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু। রুশরা এমনভাবে আঘাত করতে চেয়েছিল, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং যা তাদের শক্তির প্রদর্শনী হিসেবে কাজ করে।’
ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এই হামলায় আবাসিক ভবন, শিল্প স্থাপনা এবং বিভিন্ন অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাশিয়ার হামলার মূল লক্ষ্য ছিল মধ্য ইউক্রেনের কিয়েভ ও পোলতাভা, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ।
আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকিতে একটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচতলা আবাসিক ভবনে আঘাত হানে। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত ও ২০ জন আহত হন; এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো বাসিন্দা আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, ঘনবসতিপূর্ণ দারনিতস্কি এলাকায় বিমান হামলার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দুজন নিহত হয়েছেন।
জেলেনস্কি জানান, মধ্য ইউক্রেনের দিনিপ্রো ও ক্রেমেনচুকে বহুতল ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুজন এবং ওলেক্সানদ্রিয়ায় নিহত হয়েছেন আরো দুজন।
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


