সৌদি আরব ও ইরান সমর্থিত হুথিদের মধ্যে চলমান লড়াই ‘দ্রুত আরো বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে’ বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে শুরুর পর প্রথমবারের মতো সৌদি রাজধানী রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটার পর যুক্তরাষ্ট্র এ সতর্কবার্তা দিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেরিল্যান্ডের গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত নিরিবিলি প্রেসিডেন্টের অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে সপ্তাহান্ত কাটানোর পরিকল্পনা সংক্ষিপ্ত করে আকস্মিকভাবে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন।
তবে আগেভাগে ফিরে আসার কারণ সম্পর্কে হোয়াইট হাউস কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এর মধ্যেই সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে চলমান সংঘাতে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হুথিরা ইয়েমেনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রিয়াদের নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে।
শনিবার সৌদি রাজধানী রিয়াদে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এএফপির সাংবাদিকরা জানান, তারা বিমানবন্দরের কাছে সৌদি তেল কোম্পানি আরামকোর লোগোযুক্ত একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন জ্বলতে দেখেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরো বড় আকার ধারণ করতে পারে।’
মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অঞ্চলটির ভেতরে বা এর মধ্য দিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা ‘গুরুতরভাবে পুনর্বিবেচনা’ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সৌদি আরবের তাইফ ও ইয়ানবু শহরে মার্কিন সরকারি কর্মীদের ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ইয়ানবুতে লোহিত সাগরের তীরে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল রয়েছে, যেটি অতীতেও হুথিদের হামলার লক্ষ্য হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে হুথিদের দ্রুতগতির সামরিক অভিযানে ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এতে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এক লাখ ১০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

