লন্ডভন্ড ইসরাইলি তেল শোধনাগার মেরামতে লাগবে কয়েক বছর

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

লন্ডভন্ড ইসরাইলি তেল শোধনাগার মেরামতে লাগবে কয়েক বছর
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের বৃহত্তম তেল শোধনাগার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ শুরুতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এখন জানা যাচ্ছে, ক্ষতির পরিমাণ আগের চেয়ে অনেক বেশি।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের হাইফা উপসাগরে অবস্থিত এই শোধনাগারটির পুনর্নির্মাণ কাজ ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ইসরাইলের চ্যানেল ১২ নিউজের গত সোমবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের শুরুর দিকে দুটি পৃথক ইরানি হামলায় শোধনাগারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী এলি কোহেন এবং শোধনাগার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বাজান দাবি করেছিল, সেখানে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

গত মার্চ মাসে বাজান তেল আবিব স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছিল, একটি শোধনাগার ট্যাংকের ছাদে সামান্য ক্ষতি হয়েছে এবং তাদের সব উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। সে সময় কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে বলেছিল, ‘আমাদের ধারণা, এই ক্ষতি তেমন গুরুতর নয়।’

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি সরকারি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ইয়েশিভা ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, শোধনাগারের গ্যাস টারবাইন, স্টিম বয়লার, বৈদ্যুতিক কক্ষ এবং অন্যান্য সহায়ক ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা আগে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। চ্যানেল ১২ নিউজ আরও জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে সেখানে বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ কাজের অনুমোদন দিয়েছে।

বাজান তেল শোধনাগারটি ইসরায়েলের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। এখান থেকে শিল্পকারখানা, কৃষি, অবকাঠামো এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য তেল সরবরাহ করা হয়। কোম্পানির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই শোধনাগারের দৈনিক প্রায় ২৬ হাজার টন তেল উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে এবং এটি বছরে প্রায় ৯৮ লাখ টন অপরিশোধিত তেল শোধন করতে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ বা কড়াকড়ির মাধ্যমে লুকিয়ে রাখছে ইসরাইল।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...