জেরুজালেমের গ্র্যান্ড মুফতি (ইমাম) শেখ মোহাম্মদ হুসেইনকে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে এক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর তাকে আটক করা হয়। পরে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে জেরুজালেম গভর্নরেট।
এক বিবৃতিতে গভর্নরেট জানায়, অবরুদ্ধ পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে জুমার খুতবা ও নামাজ পরিচালনা করেন শেখ মোহাম্মদ হুসেইন। নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই ইসরাইলি বাহিনী গ্র্যান্ড মুফতিকে আটক করে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, পরে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড মুফতিকে মুক্তি দেয়। তবে মুক্তির আগে তাকে এক সপ্তাহের জন্য আল-আকসা মসজিদ চত্বরে প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ইসরাইলি পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আল-আকসা মসজিদের খতিবদের ওপর ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ প্রায়ই এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করে আসছে।
এর আগে গত শুক্রবার সকালে আল-আকসা মসজিদ চত্বরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন।
পবিত্র এই স্থানে ইসরাইলি বাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতার মধ্যেই গ্র্যান্ড মুফতিকে নিষিদ্ধ করার এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
গত রোববার ফিলিস্তিনের ওয়াকফ ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে ইসরাইলি বাহিনী আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ২৬ বার অনুপ্রবেশ করেছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসে ৪ হাজার ২১২ জন ইসরাইলি দখলদার আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করেন। ইসরাইলি বাহিনীর কড়া পাহারায় সকাল ও বিকেলের পরিদর্শনের সময় তারা ‘মুগরবি গেট’ দিয়ে মসজিদ চত্বরে ঢুকে পড়েন।
সূত্র: ইয়ানি সাফাক
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


