এশিয়ার জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে অবস্থান নিয়েছে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য। বুধবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ ও ইউএস ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিসের বরাত দিয়ে এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার জিডিপি ৪.১০ ট্রিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। এর ফলে আমেরিকার এই অঙ্গরাজ্যটি অর্থনৈতিক শক্তিতে জাপানকে ছাড়িয়েছে। ২০২৪ সালে জাপানের জিডিপি হয়েছে ৪.০১ ট্রিলিয়ন ডলার।
অর্থনৈতিক শক্তিতে এখন শুধু আমেরিকা, চীন ও জার্মানির পরই ক্যালিফোর্নিয়ার অবস্থান। ২০২৪ সালে আমেরিকার জিডিপি হয়েছে ২৯.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার, চীনের জিডিপি ১৮.৭৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং জার্মানির জিডিপি ৪.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার।
নিউসম তার বিবৃতিতে বলেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্বের সঙ্গে গতি মিলিয়েই চলে না, গতি নির্ধারণও করে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি বাড়ছে, কেননা আমরা জনগণের ওপর বিনিয়োগ করি, স্থিতিশীলতাকে প্রাধান্য দিই এবং নতুনত্বের শক্তিতে বিশ্বাস করি।’
নিউসম বলেন, আমেরিকার বর্তমান সরকারের বেপরোয়া শুল্কনীতির কারণে ক্যালিফোর্নিয়ার অর্থনীতি হুমকির মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার অর্থনীতি জাতিকে শক্তি সরবরাহ করছে এবং তাই তার প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
এর আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বজুড়ে শুল্ক আরোপের ঘোষণার জেরে গত ১৭ এপ্রিল ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলীয় এ রাজনীতিবিদকে আগামী ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আমেরিকার মোট শিল্প ও কৃষি উৎপাদনের বিশাল অংশই ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরবরাহ করে। এ ছাড়া বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো ক্যালিফোর্নিয়া থেকেই পরিচালিত হয়। আমেরিকার বৃহত্তম দুটি সমুদ্রবন্দর এ রাজ্যে রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

