ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পাঞ্জাবসহ পাকিস্তানের বিস্তির্ণ এলাকা। পাঞ্জাবে নতুন করে নিহত হয়েছেন আরো ৩৩ জন। বন্যা কবলিত হয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষ। আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক ইরফান আলি কাথিয়া। খবর জিও নিউজের।
জুনের শেষের দিক থেকে দেশটিতে বন্যা শুরু হয়। সম্প্রতি ভারত তিনটি বাঁধ খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বন্যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি অবকাঠামো ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পিডিএমএ প্রধান কাথিয়া জানান, সুতলেজ, রাভি ও চেনাবসহ তিনটি প্রধান নদীর পানির স্তর বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি খুবই অনিশ্চিত। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।’
পিডিএমএ আরো জানিয়েছেন, পাঞ্জাবের দুই হাজার ২০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকা থেকে সাত লাখ ৫০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ত্রাণ শিবিরগুলোতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের খাদ্য, আশ্রয় এবং মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মুজাফফরগড়ে ১০৫টি স্কুল ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে এবং একটি নির্ধারিত পোলিও টিকাদান কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
পাঞ্জাবের সিনিয়র মন্ত্রী মারিয়াম আওরঙ্গজেব বলেন, ৫১১টি ত্রাণ শিবির এবং ৩৫১টি চিকিৎসা শিবির সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছে। চার লাখ পাঁচ হাজারের বেশি গবাদি পশু উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৩২১টি পশুচিকিৎসা শিবিরে তাদের চিকিৎসা করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করা নৌকার সংখ্যা ৮০৮ টিতে উন্নীত করা হয়েছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



