রংপুরের সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় জামাআতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ২ আসামি হলেন—জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক।
খালাস পাওয়া ৫ আসামি হলেন—জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।
২০১৮ সালের ১৮ মার্চ খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত জেএমবি জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। এছাড়া ছয়জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় ১৪ জেএমবির সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। যার মধ্যে আসামি পঞ্চগড়ের নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাতে রাজশাহীতে এবং কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন ২০১৭ সালের ৫ জানুযারি ঢাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। শুনানি শেষে বিচারক নিহত দুই জঙ্গিকে বাদ দিয়ে ১২ জনের নামে অভিযোগ গঠন করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


