দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দক্ষিণ কোরিয়ার পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক অধ্যাপক রবার্ট কেলি বলেছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তার ব্যর্থতার সম্পর্ক রয়েছে।
কেলি আল জাজিরাকে বলেন, ‘ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, এটি খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। এটা বেশ স্পষ্ট যে তিনি ভেনেজুয়েলায় জানুয়ারিতে যে ধরনের দ্রুত অভিযান চালিয়েছিলেন, অনেকটা তেমনই একটি আকস্মিক সংঘাত হবে বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নেয়—ধীরে ধীরে পাল্টাপাল্টি হামলার এক অদ্ভুত চক্রে পরিণত হয়েছে।’
কেলির মতে, সংঘাতটি এখন ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভাষায় একটি এক চিরস্থায়ী যুদ্ধের রূপ নিতে শুরু করেছে।’ এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প নিজেকে ‘আটকে পড়া’ অবস্থায় দেখতে পাচ্ছেন এবং এর জন্য দায়ী করার মতো কাউকে খুঁজছেন।
তিনি বলেন, ‘এই উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা তার কাছে সুবিধাজনক লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। এর আগেও ট্রাম্প একই কারণে ন্যাটোর সমালোচনা করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়াও অবশ্য এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়নি এবং তাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শও করা হয়নি।’
কেলি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয়, ট্রাম্প মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলে তার এই ব্যর্থতা ও সংকটকে আড়াল করার কিংবা এর দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসবেন, সে বিষয়ে তিনি নিজেও খুব একটা জানেন না।’
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


