মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো হুমকি দিয়েছেন যে, কোনো চুক্তি না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালাবেন। আর এমনটি যদি সত্যিই ঘটে, তবে তা যুদ্ধাপরাধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন শামিল হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাবেক প্রধান কেনেথ রথ।
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রথ বলেন, একেবারে সহজ করে বললে ট্রাম্প ব্যাপক যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন।
রথ ব্যাখ্যা করে বলেন, তিনি হয়তো বলতে পারেন যে তিনি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের তোয়াক্কা করেন না, কিন্তু মার্কিন সরকার এবং বাকি বিশ্ব তা মানার দাবি করে। আর মানবিক আইন অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র বা সেতুর মতো বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করতে বাধা দেয়।
রথ বলেন, ট্রাম্প হয়তো যুক্তি দিতে পারেন যে সেতু এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তথাকথিত দ্বৈত-ব্যবহারের বস্তু কারণ এগুলো সেনারাও ব্যবহার করে, কিন্তু এটাই শেষ কথা নয়।
তিনি বলেন, মানবিক আইন এটাও দাবি করে যে, যদি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালানোর ফলে বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতির পরিমাণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে তা করা যাবে না।
অন্যদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এসব অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা যুদ্ধাপরাধ বলা ভুল, ভিত্তিহীন ও হাস্যকর এবং এগুলো বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। এই মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

