ট্রাম্প ও শির বৈঠক সফল হওয়া নিয়ে শঙ্কা

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

ট্রাম্প ও শির বৈঠক সফল হওয়া নিয়ে শঙ্কা
ছবি: আল-জাজিরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি সফল হিসেবে গণ্য করতে হলে দুই নেতার চাওয়া বা অগ্রাধিকারের দিকে তাকাতে হবে।

লাইডেন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সহযোগী অধ্যাপক সালভাদর সান্তিনো রেজিলমে আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই সম্মেলনের সম্ভাব্য সফলতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন।

বিজ্ঞাপন

ট্রাম্পের জন্য সফলতার মাপকাঠি

ট্রাম্পের জন্য সফল বৈঠক হবে সেটিই, যা মার্কিন নাগরিকদের সামনে দৃশ্যমান ও ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব। রেজিলমে বলেন, ‘ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির ধরনে চুক্তির দৃশ্যমান প্রকাশ বা অপটিকস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাফল্যের বিষয়টি বস্তুগত অর্জনের পাশাপাশি জনসমক্ষে তা কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে, তার ওপরও অনেকটা নির্ভর করবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য সফলতার তালিকায় থাকতে পারে চীন কর্তৃক মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি, শুল্কের বিষয়ে নমনীয়তা, ইরান ইস্যুতে সহযোগিতার নিশ্চয়তা অথবা বিরল খনিজ সম্পদ রপ্তানিতে চীনের নতুন কোনো ছাড়।

শি জিনপিংয়ের অগ্রাধিকার

অন্যদিকে, শি জিনপিংয়ের জন্য সাফল্যের সংজ্ঞা ভিন্ন। ওয়াশিংটনের কাছে নতি স্বীকার না করে চীনের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক পূর্বাভাস নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক পরাশক্তি হিসেবে চীনের অবস্থানকে সুসংহত করাই তার মূল লক্ষ্য।

চুক্তির সম্ভাবনা কতটুকু?

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কাঠামোগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার উৎসগুলো অমীমাংসিত থাকায় কোনো একটি ব্যাপক বা সামগ্রিক বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে শুল্ক সাময়িক স্থগিত রাখা, কিছু পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি বা বিরল খনিজ সম্পদ নিয়ে সীমিত পরিসরের একটি চুক্তি অথবা ভবিষ্যৎ আলোচনার রূপরেখা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

রেজিলমে আরো বলেন, ‘এ ধরনের সীমিত চুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে। তবে এটি মূল সমস্যার সমাধান করবে না। দুই অর্থনীতি এখনো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু উভয় সরকারই এই নির্ভরশীলতাকে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঝুঁকি হিসেবে দেখছে।’

সূত্র: আল-জাজিরা

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন