বিএনপির বিরুদ্ধে অশালীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
তিনি বলেছেন, বিএনপি জনগণের দল। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি। তাই বাঁশখালীর রাজনৈতিক পরিবেশ যাতে কোনোভাবেই উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
গতকাল রোববার বিকেল ৫টায় বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন থেকে আসা খণ্ড খণ্ড মিছিল জমায়েত হয়। পরবর্তীতে মিছিলটি বিশাল আকার ধারণ করে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌরসভার দারোগা বাজারে গিয়ে এক সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, যাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, আজ তাদের কেউ কেউ বিভিন্নভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য দিচ্ছেন। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু কোনো ধরনের হুমকি, উসকানি কিংবা অশালীন বক্তব্যের মাধ্যমে বাঁশখালীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করা উচিত নয়।
সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর মানসিক চাপ না সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে তাদের বিব্রত বা চাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা অনুচিত।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাঁশখালী সফরের প্রসঙ্গ টেনে পাপ্পা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালীতে এলে আমরা সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম এবং যথাযথ সম্মান দিয়ে মঞ্চে স্থান দিয়েছিলাম। সময়ের স্বল্পতার কারণে অনেকের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আপনাদের আমির যখন বাঁশখালীতে এসেছিলেন, তখন আমাদের সঙ্গে একটি ফোনেও যোগাযোগ করা হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা কোনো বিরোধ সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা বাঁশখালীতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার মুহাম্মদ লোকমানের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সদস্যসচিব রেজাউল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, আমিনুর রহমান চৌধুরী, আবদুস সবুর, জেলা জিপি অ্যাডভোকেট কাশেম চৌধুরী, দেলোয়ার আজিম, সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মহসিন, সাবেক চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দীন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী, সরওয়ার আলম আস্করি, অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট লায়ন নাছির উদ্দীন, অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট শওকত ওসমান, খোরশেদ আলম আইয়ুব, অধ্যাপক মুবিনুর রহমান চৌধুরী, এম আবদুল হক, জাহেদুল হক, ফৌজুল কবির মেহেদী, মূছা মেম্বার, শাহাদাত হোসেন আজগর, মইনুল ইসলাম পলাশ ও আবদুস ছবুর।
মারুফুল হক চৌধুরী, জেলা যুবদলের সহপ্রচার সম্পাদক নুরুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর কিবরিয়া আজম, মোস্তাক আহমদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু আহমদ, সদস্য সচিব রাসেল চৌধুরী, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক তমিজুর রহমান, সদস্য সচিব শহিদুল্লাহ কাইছার বাদশা, মৌলভী শহীদ, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন, সদস্য সচিব আদিল উদ্দীন চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সবুর, ফরহাদুল ইসলাম, আজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আসিফ, পৌরসভা ওলামা দলের আহ্বায়ক মৌলভী হোসাইন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব দিদারুল আলম, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আবদুর রহমান, সদস্য সচিব ফজল কাদের, জেলা ছাত্রদলের সদস্য মোহাম্মদ তৈয়ব, বেলাল মাহমুদ, নুরুন্নবী, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেকুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাইদুল ওয়াদুল জিহান।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

