ভারতে এই ধরনের বিশেষ পরিস্থিতিতে আসা এরকম বিদেশি অতিথিদের নিয়মিত 'ডিব্রিফিং সেসন' করার রীতি আছে – ১৯৫৯ সালে তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামাও যার ব্যতিক্রম ছিলেন না।
ভারতে থাকাকালীন এই বিদেশি বন্ধুদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্বন্ধে অবহিত করা, ভারত কোন দৃষ্টিতে বিভিন্ন বিষয় দেখছে সেটা ব্যাখ্যা করা এবং অতিথিদের কাছ থেকে ঠিক কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে সেটা বুঝিয়ে বলাই এই ডিব্রিফিং-গুলোর প্রধান উদ্দেশ্য।
ভারতে এসে নামার পর শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে প্রথমে বেশ কয়েকমাস এই ভূমিকা পালন করেছেন অজিত ডোভাল নিজে।
ঢাকায় বহু ঘোষিত ও অঘোষিত সফরের সুবাদে শেখ হাসিনার সঙ্গে ডোভালের একটা ভালো ব্যক্তিগত সমীকরণও তৈরি হয়েছিল, ফলে এই প্রক্রিয়াটা চলছিলও বেশ মসৃণভাবে। কিন্তু নানা ব্যস্ততার জন্য বা অন্য নানা কারণে ডোভাল এখানে আর ততটা সময় দিতে পারছেন না।
ডোভাল অনেকটাই সরে যাওয়ার পর ভারতের ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান তপন ডেকা বা গত মাসে ডেকার অবসরের পর বর্তমান প্রধন মহেশ দীক্ষিতের কাঁধে এই দায়িত্ব এসে পড়েছে বলেও এই প্রতিবেদক নিশ্চিত হতে পেরেছেন।
দিল্লির চোখে শেখ হাসিনার গুরুত্ব যে আর আগের মতো অতটা নেই, অনেক পর্যবেক্ষকই বলছেন এটা তার একটা প্রমাণ।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


