খাদেম রহমত আলী হত্যায় ২ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

খাদেম রহমত আলী হত্যায় ২ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

রংপুরের সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় জামাআতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৮ সালের ১৮ মার্চ খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত জেএমবি জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। এছাড়া ছয়জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (৩৩), সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), লিটন মিয়া ওরফে রফিক (৩২), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০), চান্দু মিয়া (২০)।

খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন জেএমবির সদস্য আবু সাঈদ (৩০), তৌফিকুল ইসলাম সবুজ (৩৫), সাদাত ওরফে রতন মিয়া (২৩), জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী (২৬), বাবুল আখতার ওরফে বাবুল মাস্টার (৩৫) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

১৩ আসামির মধ্যে দুজন পলাতক রয়েছেন। তাঁরা হলেন চান্দু মিয়া (২০) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় ১৪ জেএমবির সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। যার মধ্যে আসামি পঞ্চগড়ের নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাতে রাজশাহীতে এবং কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন ২০১৭ সালের ৫ জানুযারি ঢাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। শুনানি শেষে বিচারক নিহত দুই জঙ্গিকে বাদ দিয়ে ১২ জনের নামে অভিযোগ গঠন করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন