আত্মগোপনে থাকা চাঁদপুর শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় শনিবার দুপুরে তাকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার ভুক্তভোগী রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়। পরে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ আত্মগোপনে ছিলেন পিন্টু দাস। দীর্ঘদিন ধরে তার দোকান ও বাসা তালাবদ্ধ থাকায় বিষয়টি নিয়ে চাঁদপুরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং মালামাল বহনকারী এক ট্রাকচালকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় পিন্টু দাস ও তার পরিবারের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই উদ্ধার হওয়া তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মামলায় পিন্টু দাসকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


