ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে বরিশাল

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে বরিশাল

বাংলাদেশের ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহ, যুদ্ধ কিংবা ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাস নয়; এটি একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ, স্বাধিকারচেতনা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারও ইতিহাস। ঔপনিবেশিক শাসনের দীর্ঘকালজুড়ে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে যে প্রতিরোধের ধারা গড়ে উঠেছিল, তারই ধারাবাহিকতায় উনিশ ও বিশ শতকে বিকশিত হয় রাজনৈতিক সচেতনতা, সামাজিক সংস্কার, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতার সংগ্রাম।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বরিশাল একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নদীবিধৌত দক্ষিণ বাংলার এই জনপদ শুধু কৃষি, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশের জন্যই পরিচিত নয়; ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিরোধ, স্বদেশচেতনার বিকাশ এবং জাতীয় আন্দোলনের বিস্তারে বরিশালের মানুষের ভূমিকা ছিল গভীর ও বহুমাত্রিক।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু জাতীয় ইতিহাসের প্রচলিত বয়ানে এই বিপুল অবদানের একটি বড় অংশ এখনো প্রান্তিক। পাঠ্যপুস্তক, একাডেমিক গবেষণা কিংবা গণমাধ্যমের আলোচনায় বরিশালের বহু সংগ্রামী মানুষের নাম ও কর্ম যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। ফলে জাতীয় জাগরণের যে ইতিহাস আমরা জানি, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অধ্যায় অনেকটাই আড়ালে থেকে গেছে। অথচ কোনো জাতির স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণাঙ্গভাবে বুঝতে হলে রাজধানী বা ক্ষমতার কেন্দ্রের ইতিহাসের পাশাপাশি প্রান্তিক জনপদগুলোর সংগ্রামকেও সমান গুরুত্ব দিতে হয়।

বরিশালের সেই বিস্মৃত ইতিহাসের পাতা থেকেই উঠে আসেন এমন কিছু মানুষ, যাদের কর্ম ও আত্মত্যাগ জাতীয় ইতিহাসের বৃহত্তর ধারার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। এই প্রবন্ধে তাদের নিয়ে কথা বলা হয়েছে, যারা নিজেদের সময়কে অতিক্রম করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন সংগ্রাম, সাহস ও আত্মত্যাগের এক অনন্য উত্তরাধিকার।

জমিদার ইমামউদ্দিন চৌধুরী

পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার একদল সৈন্য বরিশালের নাজিরপুর পরগনায় আশ্রয় নেয়। স্থানীয় জমিদার সৈয়দ ইমামউদ্দিন চৌধুরীর উদ্যোগে তারা গৌরনদীর শরিকলে একটি দুর্গ নির্মাণ করে। একই সঙ্গে ইমামউদ্দিন ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে খাজনা দেওয়া বন্ধ করে দেন।

গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের নির্দেশে ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে তাকে গ্রেপ্তার করে কলকাতায় পাঠানো হয়। মুক্তির পর তিনি বাড়ির চারপাশে পরিখা খনন এবং সশস্ত্র কৃষকদের সংগঠিত করে প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেন। ইংরেজ সিপাহিরা শরিকল দুর্গে আক্রমণ চালালে তীব্র সংঘর্ষের পর দুর্গটির পতন ঘটে।

পরে নলচিড়ার খানাবাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে ইংরেজরা কামানের গোলায় বাড়িটির একটি অংশ ধ্বংস করে। পরাজয়ের পর কয়েকটি কামান দিঘিতে ফেলে দেওয়া হয়। শরিকল বন্দরের পশ্চিম পাশে দুর্গের ধ্বংসাবশেষ আজও সৈয়দ ইমামউদ্দিন চৌধুরীর সেই প্রতিরোধের স্মৃতি বহন করছে।

আইনউদ্দিন সিকদার

১৭৭০ সালের মন্বন্তরের মাত্র ১৭ বছরের ব্যবধানে বাকেরগঞ্জজুড়ে আবার শুরু হয় আরেক আকাল। ইংরেজ সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা, ফসলহানি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। খাজনা ও উন্নয়ন করের ভয়ে বহু চাষি, জেলে, শ্রমিক, মোলঙ্গীরা সুন্দরবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তারপরও ঔপনিবেশিক কর্মচারী, আমলা ও গোমস্তরা কৃষকদের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত রাখে। মোলঙ্গী ও কৃষক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে জমিদার ও কোম্পানির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেন। তাদের নেতা ছিলেন আইনউদ্দিন সিকদার। কোম্পানি ব্রিটিশ আইনউদ্দিনকে ডাকাত ও দস্যু ঘোষণা করে। ১৭৮৯ সালের কোনো এক গভীর রাতে সরকারি সৈন্যরা বাকেরগঞ্জের নিয়ামতিতে তার বাড়ি অভিযান চালায়। সেই অভিযানে ইংরেজদের হাতে তিনি ধরা পড়েন। এরপর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। হেনরি বেভারিজের মতে, তাকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের মতে, কোম্পানি সৈন্যরা তাকে হত্যা করে বিষখালি নদীতে ফেলে দিয়েছিল।

হায়াত মাহমুদ

১৭৫৭ সালে জমিদার কৃষ্ণচন্দ্র, জগৎশেঠদের পুঁজি, বিশ্বাসঘাতকতা ও বৈশ্বিক শক্তির কূটকৌশলে বাংলার শাসনক্ষমতায় বড় রদবদল ঘটে। নতুন শাসকগোষ্ঠীর ভূমিনীতি, করনীতি ও বাণিজ্যনীতি বরিশালের জনজীবনে গভীর সংকট সৃষ্টি করে; বিপর্যস্ত হয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও সমাজব্যবস্থা। এই অস্থির সময়ে হায়াত মাহমুদ অল্পসংখ্যক সহযোদ্ধাকে নিয়ে ইংরেজ আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

হায়াত মাহমুদ ছিলেন বাঙালি মুসলিম সেনাপতি এবং বৃহত্তর বরিশালের বুজুর্গ-উমেদপুর পরগনার জমিদার। কোম্পানির শাসন মেনে নিতে অস্বীকার করায় তাকে সরকারি নথিতে ‘ডাকাত সরদার’ আখ্যা দেওয়া হয়। ১৭৮৯ সালে কোম্পানির সিপাহিরা তাকে গ্রেপ্তার করে। পরের বছর তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস তাকে প্রিন্স অব ওয়েলস দ্বীপে নির্বাসিত করেন। তার জমিদারিও কেড়ে নেওয়া হয়।

১৮০৬ সালে মুক্তি পেয়ে তিনি কড়াপুরে ফিরে আসেন। ঔপনিবেশিক নথিতে ‘ডাকাত’ হিসেবে চিহ্নিত এই মানুষটির ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতাবান শাসকের দেওয়া পরিচয় সবসময় ইতিহাসের সত্য পরিচয় নয়। যারা ভূমিপুত্রের প্রতিরোধকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন, তাদের শাসনব্যবস্থাই আজ ইতিহাসের বিচারে ঔপনিবেশিক দখল ও শোষণের প্রতীক। হায়াত মাহমুদের সংগ্রাম তাই শুধু একজন জমিদারের ব্যক্তিগত প্রতিরোধ নয়; এটি বাংলার মাটিতে ঔপনিবেশিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধেরও এক স্মরণীয় অধ্যায়।

বঙ্গবীর বালকি শাহ

বরিশালের কৃতী সন্তান বালকি শাহ ১৭৯২ সালে কৃষক বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে বাকেরগঞ্জ থেকে ইংরেজ উপনিবেশ উৎখাতের ঘোষণা দেন। তার স্পষ্ট ঘোষণা ছিল—‘ফিরিঙি রাজত্ব খতম’। তিনি তার শিক্ষাগুরু জিওনকে বাকেরগঞ্জের সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় বসান এবং স্বাধীন দক্ষিণবঙ্গের জন্য কয়েকটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন। কৃষকদের জন্য ভূমিকর নির্ধারণের পাশাপাশি প্রচলিত খাজনা ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেন। সলিমাবাদ, নাজিরপুর ও চন্দ্রদ্বীপ পরগনার জমিদারদের ব্রিটিশ আনুগত্য ত্যাগ, কর প্রদান বন্ধ এবং তার নেতৃত্ব মেনে নিতে বাধ্য করেন।

বর্তমান ঝালকাঠির নলছিটির সুগন্ধিয়ায় কৃষকদের সহায়তায় তিনি একটি শক্ত মাটির দুর্গ নির্মাণ করেন। দুর্গটিতে ছিল সাতটি কামান ও বারোটি মাস্কেট বন্দুক; কয়েকজন মুজাহিদ সেখানে নিয়মিত গোলাবারুদও তৈরি করতেন। কোম্পানির বরকন্দাজ বাহিনী একাধিকবার আক্রমণ করেও বালকি শাহর বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়। পরে শক্তিশালী ইউরোপীয় বাহিনী পাঠিয়ে ইংরেজরা দুর্গটি ধ্বংস করে। যুদ্ধে বহু স্বাধীনতাকামী সৈন্য নিহত হন এবং বালকি শাহ বন্দি হন।

ঢাকার নিজামত আদালত তাকে ‘বিদ্রোহ ও রক্তপাতের’ অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়। অন্য একটি মতে, তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। এরপর তার জীবনের বিস্তারিত ইতিহাস আর জানা যায় না।

দক্ষিণবঙ্গের স্বাধীনতা ঘোষণা, জমিদারদের করব্যবস্থা পরিবর্তন এবং কৃষকদের সংগঠিত করে বিকল্প শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় বালকি শাহ ছিলেন সময়ের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদী নেতা। পণ্ডিত মুহম্মদ মুহসিনের ভাষায়, তার কর্মকাণ্ড বিবেচনায় বালকি শাহকে ‘দক্ষিণবঙ্গের তিতুমীর’ বলা যায়। অথচ তিতুমীরের মতো বালকি শাহও আজও ইতিহাসের মূলধারার আলোচনায় যথাযথ স্থান পাননি। তার সংগ্রাম ও উত্তরাধিকার নিয়ে আরো গবেষণা ও আলোচনা প্রয়োজন।

শেখ গগন ও মোহন মিয়া

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার সিংখালীতে উনিশ শতকের মাঝামাঝি গড়ে উঠেছিল জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী কৃষক প্রতিরোধ। এই প্রতিরোধের নেতৃত্বে ছিলেন গগন মিয়া ও মোহন মিয়া নামের দুই ভাই। তাদের পিতা শেখ দৌলত সুন্দরবনের জঙ্গল আবাদ করে সিংখালীতে বসতি গড়ে তুলেছিলেন। পিতার উত্তরাধিকারেই গগন ও মোহন কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে নতুন জনপদ গড়ে তোলেন।

সিংখালীর কৃষকরা জমি আবাদ করলেও জমিদার মিত্রজিত সিং তাদের ভূমির স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেন। এর প্রতিবাদে গগন ও মোহনের নেতৃত্বে কৃষকরা খাজনা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। জমিদারি কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে এই অবস্থান ক্রমে সংঘাতে রূপ নেয়। গগন ও মোহন কৃষকদের সংগঠিত করে নিজেদের বসতিকে একটি সুরক্ষিত প্রতিরোধকেন্দ্রে পরিণত করেন। তাদের চারপাশে জঙ্গল ও পরিখাবেষ্টিত ঘাঁটি গড়ে ওঠে এবং স্থানীয় কৃষকরা সেখানে সংগঠিত হতে থাকে।

এই প্রতিরোধ দমনে জমিদার ও ইংরেজ প্রশাসন একাধিকবার অভিযান চালিয়েও সাফল্য পায়নি। ১৮৫৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মি. হ্যারিসনের নেতৃত্বে ইংরেজ সৈন্য ও দেশীয় পুলিশ সিংখালীতে অভিযান চালায়। এরপর মি. আলেকজান্ডারের নেতৃত্বে আরো বড় বাহিনী পাঠানো হয়। সংঘর্ষে ১৭ জন কৃষক নিহত হন। গগন ও মোহন তাদের সহযোদ্ধাদের মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের বাড়ির দরজার কাছে দাফন করেন। অবশেষে ব্রিটিশ প্রশাসন গগন ও মোহনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে। ১৮৫৫ সালের ৫ জানুয়ারি তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দীর্ঘ কারাবাসের পর জীবনের শেষপর্বে তারা সিংখালীতে ফিরে আসেন।

গগন ও মোহনের সংগ্রাম ছিল শুধু জমিদারের বিরুদ্ধে খাজনা বন্ধের আন্দোলন নয়; এটি ছিল ভূমির অধিকার, কৃষকের মর্যাদা এবং ঔপনিবেশিক শাসনের স্থানীয় সহযোগী কাঠামোর বিরুদ্ধে একটি জনভিত্তিক প্রতিরোধ। সিংখালীর মাটি, তাদের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ ও নিহত কৃষকদের কবর আজও সেই বিস্মৃত ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে।

আশু আকন্দ

বরিশালের কৃষক-প্রজা আন্দোলনের ইতিহাসে মেহেন্দিগঞ্জের আশু আকন্দ একটি স্মরণীয় নাম। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে তার নেতৃত্বে মেহেন্দিগঞ্জে জমিদারবিরোধী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। চাঁদপুর গ্রামের উচ্চশিক্ষিত যুবক আশু আকন্দ উলানিয়া ও পার্শ্ববর্তী ২২টি গ্রামের কৃষকদের সংগঠিত করে জমিদারদের অন্যায় খাজনা এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার আহ্বানে কৃষকরা খাজনা দেওয়া বন্ধ করে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামেন।

বিদ্রোহ দমনে জমিদাররা নায়েব, পেয়াদা, লাঠিয়াল ও শিখ সৈন্যদের ব্যবহার করে। একপর্যায়ে কৃষকদের ওপর হামলা ও গোলাগুলি হলেও আশু আকন্দের নেতৃত্বে কৃষকরা তা প্রতিহত করে। ফলে জমিদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। জমিদাররা তাকে ২২ মৌজার তালুক দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আন্দোলন থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আশু আকন্দ তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

শেষ পর্যন্ত ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয় জমিদার পক্ষ। বন্ধু ভবতোষ তরফদারকে তালুক দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আশু আকন্দকে তার বাড়িতে ডেকে আনা হয়। ১২৮৬ বঙ্গাব্দের ১৫ ফাল্গুন তাকে সেখানে আক্রমণ করে বন্দি করা হয়। পরে জমিদারের লোকরা তাকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে। তার মরদেহেরও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

আশু আকন্দের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সামরিক শক্তির কাছে পরাজিত হলেও জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে কৃষকের ঐক্য ও প্রতিরোধের যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছিলেন, তা মেহেন্দিগঞ্জের জনস্মৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে আছে। কৃষকের অধিকার ও মর্যাদার জন্য আত্মত্যাগের কারণে তিনি বরিশালের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাসে এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন