ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতায় গতি আনতে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন মার্কিন রিপাবলিকান কৌশলবিদ ও সাবেক হোয়াইট হাউস ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা মার্ক ফাইফল।
তার মতে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার পাশাপাশি চীনের সাম্প্রতিক তৎপরতাও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে।
ফাইফল বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে চীন কী বলে এবং কী করে, আমি বিশেষভাবে সেদিকে নজর রাখব।’
এ প্রসঙ্গে তিনি হুথিদের বিষয়ে চীনের সহায়তা চেয়ে সৌদি আরবের অনুরোধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকের কথা উল্লেখ করেন।
হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানান ফাইফল। তার মতে, এর ফলে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালি—দুই ফ্রন্টে ইরানের একসঙ্গে যুদ্ধ করার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমেছে।
তিনি বলেন, ‘এখন সৌদি আরব চীনকে ইরানের সঙ্গে কথা বলতে এবং হুথিদের হামলা থেকে বিরত রাখতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেছে। ফলে প্রথমবারের মতো চীনকে সত্যিকার অর্থে এই বিষয়ে সম্পৃক্ত হতে দেখা যাচ্ছে।’
ফাইফলের মতে, চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও শি জিন পিংয়ের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে।
তার ভাষ্য, এসব বৈঠকের মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে আরো চাপ সৃষ্টি করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

