ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনার একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে হামলার জন্য ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
গত মঙ্গলবারের ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়নি। ওই কেন্দ্র থেকেই মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার তদন্ত এবং ব্যবহৃত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে হুথিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে বলে দাবি করেছে সৌদি জোট।
তবে হুথিদের পরিচালিত সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে গোষ্ঠীটির এক সামরিক কর্মকর্তা অভিযোগটিকে ‘মিথ্যা’ বলেছেন।
তার দাবি, মক্কায় হামলার অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে না পারায় বিষয়টি আড়াল করতে মদিনার হামলার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
সৌদি জোটের দাবি, মদিনার হামলা মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলার ধারাবাহিক চেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে জোটটি।
বৃহস্পতিবার সৌদি জোট জানায়, খামিস মুশাইতের আকাশে হুথিদের ছোড়া চারটি ড্রোন এবং খামিস মুশাইত ও জাজানের আকাশে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। সরকারি বাহিনীর দাবি, আল-আকরুদ ফ্রন্টে অন্তত ৩০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত এবং অসংখ্য আহত হয়েছেন। তাইজের বিভিন্ন ফ্রন্টে চালানো ছয়টি বিমান হামলায়ও হুতিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইয়েমেনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের বড় একটি অংশ তাইজে আশ্রয় নিচ্ছে। সরকারি হিসাবে, বুধবার পর্যন্ত ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯০৬ জন বাস্তুচ্যুত মানুষের নাম নিবন্ধিত হয়েছে। তাদের মধ্যে পরিবার ২৯ হাজার ৫১৯টি। তাইজে আশ্রয় নিয়েছে ৯৭ হাজারের বেশি মানুষ। লাহিজে আশ্রয় নিয়েছে ৫০ হাজারের বেশি।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

