পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরে মারাত্মক ধ্বংসের মুখে পড়ে দেশের শিক্ষা খাত। অন্তর্বর্তী সরকার সেই খাতকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেও স্বল্প সময়ে তেমন কূলকিনারা করতে পারেনি।
এ অবস্থায় বিধ্বস্ত শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায় বর্তমান বিএনপি সরকার। ইতোমধ্যে দলীয় নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী তারা শিক্ষার উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে চলতি অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ ৪০টি প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের টার্গেট করে এগোচ্ছে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়।
সূত্রমতে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী, উৎপাদনমুখী ও সময়োপযোগী করে
গড়ে তোলার জন্য বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ৪৩টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, বিএনপির শিক্ষানীতি হবে জীবনমুখী। শিক্ষার সব স্তরে জোর দেওয়া হবে, প্রাথমিকে জোর দেওয়া হবে সবচেয়ে বেশি। মৌলিক মূল্যবোধ শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করা হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান নৈরাজ্য দূর করে নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ে চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমান সরকারের পাঁচ মাস পূর্তিতে গত ১৮ জুলাই সার্বিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষা খাতের উন্নয়নে গৃহীত দৃশ্যমান নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইশতেহারের কর্মসূচিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।
শিক্ষা খাতে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ দেওয়া হবে। শিশুদের মানসিক বিকাশ, সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। দেশের লাখো পথশিশুর স্থায়ী পুনর্বাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৪২০ কোটি টাকার একটি মানবিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতারও আয়োজন করেছে সরকার।
তিনি বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তাদের সম্মানী ও বেতন-ভাতা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষার প্রসার ও তাদের ক্ষমতায়নে অনার্স পর্যায় পর্যন্ত ছাত্রীদের শিক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা প্রদান এবং পুষ্টিকর মিড-ডে মিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা, সংস্কৃতি, কারিগরি শিক্ষা ও আনন্দময় শিখনভিত্তিক সম্পূর্ণ নতুন চারটি পাঠ্যপুস্তক যুক্ত করা হবে। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৬৪ জেলায় আধুনিক ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ তৈরির উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১০টি নান্দনিক নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রথম প্রতিশ্রুতি ছিল পর্যায়ক্রমে জিডিপির পাঁচ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করা হবে। কেবল ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে, বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষকের শিক্ষাদানের মান ও দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হবে। তাদের যথাযথ ট্রেনিং দেওয়া হবে এবং প্রযুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাসামগ্রীর উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে।
সূত্রমতে চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপি দুই শতাংশে উন্নীত করে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগের বছরে যা ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির এক দশমিক ৩৯ শতাংশ।
প্রাথমিকে যত প্রকল্প ও কর্মসূচি
চলতি অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ১১ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৬ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। এই অর্থে প্রধানত পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) গ্রহণ, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাহিদাভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়ন, ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং অবকাঠামোর উন্নয়নসহ সৌন্দর্য বর্ধন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব-স্কাউটিং সম্প্রসারণ প্রকল্প (৪র্থ পর্যায়) বাস্তবায়ন, সরকারি স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম, বিদ্যালয় বহির্ভূত কিশোর-কিশোরীদের জন্য দক্ষতাকেন্দ্রিক সাক্ষরতা প্রকল্প, ‘প্রি-প্রাইমারি অ্যান্ড প্রাইমারি এডুকেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট ইন কক্সবাজার অ্যান্ড বান্দরবান ডিস্ট্রিকস অ্যান্ড ভাসানচর অব নোয়াখালী’, বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্প, নেক্সটজেন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম এবং নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ উন্নয়ন ইত্যাদি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় যেসব প্রকল্প
চলতি বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতেও সরকার ৯ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা বাড়িয়ে বরাদ্দ দিয়েছে ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। এসব বরাদ্দ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ, পাঠ্যপুস্তক সহজলভ্যকরণের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ, মেধাবৃত্তিসহ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর আওতাধীন উপযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং মাধ্যমিক হতে স্নাতক তদূর্ধ্ব পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বিশেষ অনুদান প্রদান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গবেষণাগার সরঞ্জামাদি ক্রয়, মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় চার হাজার নতুন ভবন নির্মাণ ও অনগ্রসর এলাকায় ৫০০টি নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, এক হাজার ৪৮৫টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ এবং এক হাজার ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনে ব্যয় করা হবে।
এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ২১৮টি একাডেমিক ভবন, ২১টি প্রশাসনিক ভবন, ৩৮টি মাল্টিপারপাস ভবন এবং ৬০টি আবাসিক হল যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা) কার্যক্রমের আওতায় মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নবিষয়ক শিক্ষা কারিকুলাম প্রস্তুত, ৫০ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদানে ম্যানুয়েল প্রস্তুত এবং আট হাজার লাইব্রেরি উন্নয়ন করা হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে ২৫ হাজারটি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার জন্য পূর্ণাঙ্গ কারিকুলাম, পাঁচটি ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ মডিউল ও ডিসোর্স পুল তৈরি এবং ৫০০টি ভাষা ল্যাব স্থাপন করা হবে। ১০০টি বিদ্যালয়ে ব্লেন্ডেড ল্যাব স্থাপন, ল্যাব সুপারভাইজর নিয়োগ, স্থানীয় পর্যায়ে ২৬ হাজার জন ও বৈদেশিক পর্যায়ে ১০০ শিক্ষককে জলবায়ু সহনক্ষমতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, নতুন শিক্ষক নিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা বই, ম্যানুয়াল, লার্নিং সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
অন্যান্য প্রকল্প হলোÑমাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও নতুন এমপিও প্রদান, পাঁচ শতাংশ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষাঋণ প্রদানের লক্ষ্যে অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও স্টেকহোল্ডার কনসালটেশনের মাধ্যমে গাইডলাইন প্রণয়ন প্রভৃতি।
কারিগরি ও মাদরাসার উন্নয়ন কার্যক্রম
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য চলতি অর্থবছরে পাঁচ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা বাড়িয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা। এসব টাকায় এ অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) শীর্ষক প্রকল্প সমাপ্তকরণ, ৩২৯ উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন, ২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন, চার বিভাগে চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ৬৪টি টিএসসির সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ; চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করা হবে।
‘অ্যাসেট’ প্রকল্পের আওতায় ৭২ হাজার যুবক-যুব মহিলাকে এন্টারপ্রাইজ বেজড ট্রেনিং, ৪৩ হাজার জনকে বিএনকিউএফ সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন, সব সরকারি-বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এবতেদায়ি পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, এক লাখ ৭৫ হাজার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষককে ট্যাব প্রদান এবং ১০ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম প্রকল্পের মাধ্যমে অটোমেশনের আওতায় অনলাইন সেবা সহজকরণ এবং এমপিওভুক্ত সব শিক্ষক-কর্মচারীকে ইএফটিতে বেতন প্রদান করা হবে।
এছাড়া বাংলাদেশের ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুটি ভূমি জরিপ ইনস্টিটিউটের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুটি নতুন ভূমি জরিপ ইনস্টিটিউট স্থাপন, টিটিএফ প্রোগ্রাম শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুটি টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ নির্মাণ, ১৫ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রগেস শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পাঁচ হাজার তরুণ-তরুণীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও ২৫০ নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্টার্টআপ চালুতে সহায়তাকরণ, ‘ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব মাদরাসা এডুকেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাদরাসায় ১০০ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব, ১০০ আইসিটি ল্যাব, ৫০০ ভোকেশনাল কোর্স চালুকরণ, মাদরাসা শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত প্রকল্পের আওতায় চার হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান, নির্বাচিত মাদরাসাগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণ এবং বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অনুকূলে বিশেষ অনুদান দেওয়া হবে।
তবে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন, সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন, গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কওমি শিক্ষার উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং শিক্ষকদের অবসর সুবিধা সহজকরণসহ ইশতেহারের আরো বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো একসঙ্গে সমাধান সম্ভব নয়। পাঁচ বছর মেয়াদে ধাপে ধাপে নির্বাচনি ইশতেহারের সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষা খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি শিক্ষা কমিশন গঠনেরও পরিকল্পনা রয়েছে
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


