জুলফিকার হায়দার

তেল আবিবকে বহু দশক ধরে ইসরাইলের অন্যতম নিরাপদ আর স্বাভাবিক শহর মনে করা হতো। ক্যাফেগুলো বহু রাত পর্যন্ত খোলা থাকত। পশ্চিমা বিনিয়োগকারীরা আসতেন দেখতে-আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী সমাজ কেমন দেখায়। কিন্তু সম্প্রতি সেই ইমেজ পুরোপুরি ধসে পড়েছে। তেল আবিবের অনেক জায়গা এখন প্রায় শূন্য।

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা নিয়ে আলোচনা এখন নতুন মোড় নিয়েছে। তেহরানের পাল্টা আঘাতের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কি সেখানে স্থল অভিযানে নামবে—এই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে গণমাধ্যমে, আলোচনার টেবিলে। বাস্তবতা হলো, ইরানে বড় ধরনের স্থল অভিযান কঠিন শুধু নয়, সেটা ট্যাকটিক্যাল আত্মহত্যার শামিল।

কীভাবে একজন ভালো মানুষ নিজেকে ইসরাইলি বা জায়নবাদী বলবে, সেটা এখন আর বিবেচ্য নয়। এখন জরুরি প্রশ্ন হলো, আমরা, পুরো মানবজাতি কীভাবে আমাদের সজ্ঞান নিয়ে জীবনযাপন করব? এই গণহত্যা চলছেই। যারা এটা করছে, তাদের না আছে হৃদয়, না আছে অনুশোচনা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আলাস্কাতে তাদের বৈঠক শেষ করেছেন। তবে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে তাদের কোনো সমঝোতা হয়নি। দুই নেতা প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেছেন। পরে মিডিয়ায় যৌথভাবে কথা বলেছেন তারা। তবে সেখানে তারা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি

গত এক দশকে বৈশ্বিক অতি ডানপন্থিরা চরমভাবে বদলে গেছে। অতীতে দেখা গেছে, তাদের আগ্রহের লক্ষ্য ছিল মূলত শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ আর ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদের দিকে। কিন্তু এখন তারা এমনকি অ-ইউরোপীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গেও জোট গড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্য একটা রাজনৈতিক রূপান্তরের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। চলতি শতাব্দীর শুরুর দশকের গোড়া থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু রাজধানীতে নিজেদের প্রভাব পাকাপোক্ত করেছিল ইরান।