ড. মাহবুবুর রাজ্জাক

দেশে একটি সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। এই মুহূর্তে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে কাজ করছে। ক্ষমতা পেলে দেশের কল্যাণে তারা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চায়, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে। যে দলই ক্ষমতায় আসুক, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, অর্থনৈতিক উন্নতি হবে, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে—

মানুষ মায়ের ভাষা সবচেয়ে ভালো বোঝে। তাই মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। দেশে-বিদেশে এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তবে উচ্চশিক্ষা মাতৃভাষায় সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিতর্কটি বেশ পুরোনো।

এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার। দেশের বড় প্রজেক্টগুলো ‘মরিয়া যাওয়ার পূর্বেই’ যাতে ডাক্তারের দেখা পায়, সেই ব্যবস্থা করা দরকার। বুয়েটসহ সরকারি-বেসরকারি খাতের যোগ্যতা সম্পন্ন প্রকৌশলীদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রজেক্টে সম্ভাব্য যাচাইয়ের

স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার তথাকথিত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ তথা সেক্যুলারিজমের নামে সমাজকে বিভাজিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। কোথাও স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল না। স্বৈরাচারের পক্ষের লোক হিসেবে পরিচিত না হলে চাকরি পাওয়া যেত

আমার দেশ বাংলাদেশ সুজলা-সুফলা অমিত সম্ভাবনার এক দেশ। তুর্কি বীর ইখতিয়ার মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খলজি (রহ.) এই দেশের মানুষকে অত্যাচারী সেন রাজাদের হাত থেকে মুক্ত করেছিলেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রার্থীরা ধারণার চেয়েও বেশি ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে। তাদের প্যানেলে, এমনকি তাদের প্যানেলের বাইরেও হিজাবধারী বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

দেশের প্রকৌশল খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রশাসনের উচিত ছিল আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসা। অথচ পুলিশ তাদের ওপর অকারণে বর্বর হামলা করে রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করে পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত পশ্চিমা বিশ্বে প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) ও ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী প্রকৌশল প্রযুক্তিবিদ (ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিস্ট) পেশাজীবীদের মধ্যে দায়িত্বের বিভাজন স্পষ্ট। প্রত্যেকের দায়িত্ব কাঠামোগত ও আইনগতভাবে নির্দিষ্ট। পেশাগত দায়িত্বের বাস্তবসম্মত এই বিভাজন ব্যবস্থাটি প্রকৌশল

আমাদের দেশে অলিম্পিক বলতে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকই বোঝায়। শীতকালীন অলিম্পিক এদেশে অতটা পরিচিত নয়। গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন অলিম্পিক মিলিয়ে পদকপ্রাপ্তির রেকর্ডের ভিত্তিতে সেরা ১০টি দেশের তালিকায় থাকা প্রতিটি দেশই উন্নত বিশ্বের। এর মধ্যে রয়েছে এশিয়ার দেশ মাত্র দুটি—চীন আর জাপান। রপ্তানি আয়ের দিক থেকে