ড. মুহাম্মদ রুহুল আমিন রব্বানী

হজের মাধ্যমে হাজিরা নিষ্পাপ নতুন জীবন নিয়ে ফিরে আসেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশে হজ করেছে এবং অশ্লীল কথা বলেনি বা অশ্লীল কাজ করেনি, সে হজ থেকে ফিরবে সেদিনের মতো নিষ্পাপ অবস্থায়, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিলেন।’ (বুখারি : ১৫২১; মুসলিম : ১৩৫০)

রমজানের শেষ দশক ইবাদতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এ দশকেই রয়েছে লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। সুতরাং অন্য সময়ের চেয়ে এ সময়ে ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। রাসুলুল্লাহও (সা.) এ ১০ দিন বেশি বেশি আমল করতেন।

দান-সাদাকাহ মুমিন জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে দান-সাদাকার অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। তা ছাড়া কোরআনে খাঁটি মুমিনের পরিচয় দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ এ অনুষঙ্গটি নিয়ে এসেছেন।

কোরআন নাজিলের মাস পবিত্র রমজান মর্যাদার পাশাপাশি ইসলামের বিজয়ের মাস। রমজান এলে গুটিয়ে যাওয়া নয়, বিজয়ের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া উচিত। রমজানে বিজয়ের কিছু স্মরণীয় ঘটনা নিচে তুলে ধরা হলো—

মহান আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী পূর্ববর্তী উম্মতসমূহের ওপরও রোজা ফরজ ছিল। তিনি বলেন, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর।’ (সূরা আল-বাকারাহ : ১৮৩)

রাতের নফল নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক। যারা রাত জেগে সালাতে কিয়াম করেন, মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাদের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আর যারা তাদের রবের জন্য সিজদারত ও দণ্ডায়মান হয়ে রাতযাপন করে।’ (সূরা আল-ফুরকান : ৬৩)